কী কী শিলান্যাস করলেন মোদি?
* জয়রামবাটি-ময়নাপুর – রেললাইন উদ্বোধন। তীর্থস্থল জুড়বে।
* নতুন প্যাসেঞ্জার ট্রেন
* নতুন ৩টি অমৃতভারত ট্রেনের সূচনা।
অমৃতভারত চালু – ১. সাঁতরাগাছি – তাম্বরম (তামিলনাড়ু)
২. হাওড়া – আনন্দ বিহার টার্মিনাল (দিল্লি)
৩. শিয়ালদা – বেনারস (উত্তরপ্রদেশ)
প্যাসেঞ্জার ট্রেন চালু – ৪. জয়রামবাটি – ময়নাপুর (বাঁকুড়া)
বলাগড় পোর্ট গেট সিস্টেম। জুড়বে কলকাতা বন্দরের সঙ্গে।
বলাগড়ে জলপথ পরিবহণ টার্মিনালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন
রোড ওভারব্রিজ সহ বর্ধিত পোর্ট গেটের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন
*মোদির বক্তব্য*
দেশের প্রথম স্লিপার উদ্বোধন হয়েছে গতকাল।
বেনারসের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের যোগাযোগ মজবুত হবে।
আগেই ৬টি অমৃতভারত ট্রেন পেয়েছেন।
দিল্লি-তামিলনাড়ুর জন্যও অমৃতভারত ট্রেন চালু।
১০০ বছরে ২৪ ঘণ্টায় এত কাজ হয়নি।
পোর্ট আর নদী জলমার্গের যোগাযোগের উদ্বোধন। এই জলপথের বিকাশ দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। বড় হাব তৈরি করা যাবে। এই প্রজেক্টের জন্য সকলকে অভিনন্দন। বন্দরে যত জোর দেওয়া হবে ততই রোজগার। গত ১১ বছরে শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি পোর্টের বিকাশে অনেক কাজ করা হয়েছে। এর পরিণাম আমরা দেখতে পারছি। কার্গো হ্যান্ডেলিংয়ের নতুন রেকর্ড হয়েছে। বলাগড়ে তৈরি হতে চলেছে এক্সটেনডেড পোর্ট গেট সিস্টেম হুগলি এবং আশেপাশের এলাকার জন্য বড় বিষয়।
গঙ্গার উপর জলমার্গ কার্গো মুভমেন্ট বাড়বে। পুরোটা হুগলিকে ট্রেডিং হাব বানাতে সাহায্য করবে। ছোটো ব্যবসায়ী এবং ট্রান্সপোর্টের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের লাভ হবে। ট্রান্সপোর্টের সময় এবং খরচ কমানোর চেষ্টা চলছে। হুগলি নদীর উপর দিয়ে সহজে পরিবহণ সম্ভব। জল এবং সড়ক পরিবহণ বেশি করে জুড়ছে।
দেশ দ্রুতগতিতে এগোচ্ছে। আমার স্বপ্ন পশ্চিমবঙ্গ একে নেতৃত্ব দিক।


