বাংলা আর বাংলাদেশ, অপরাধের প্রসঙ্গে কেমন যেন জুড়ে যাচ্ছে দুই নাম। উত্তর দিনাজপুরে পুলিসকে গুলি করে পালায় বিচারাধীন বন্দি। তাকে সাহায্যের ঘটনায় নাম উঠে এসেছে আরও একজনের। তাদের নাগালে পেতে পুরস্কার ঘোষণা করেছে পুলিস। এদের মধ্যে বাংলাদেশ যোগ। রায়গঞ্জ পুলিসের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী তার নাম আবদুল হোসেন। ঠিকানা উত্তর দিনাজপুরের গোয়ালপোখর। তবে ইসলামপুরের এক আইনজীবীর দাবি, অভিযুক্তের নাম এবং ঠিকানা দুই-ই সঠিক নয়। আবদুল হোসেন বাংলাদেশের ঠাকুরগাঁও জেলার হরিপুর থানা এলাকার বাসিন্দা। ২০১৯ সালে আগ্নেয়াস্ত্র-সহ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী গ্রেফতারির তালিকায় ছিল আবদুলের নাম। সাজ্জাকের সঙ্গে জেলেই আলাপ। সাজা ঘোষণার পর তাকে বাংলাদেশ পাঠানোর নির্দেশ দেয় ইসলামপুর আদালত।
বাংলাদেশ থেকে ভারতে প্রবেশ করে নিশ্চিন্তে বসবাস। ইসলামপুর আদালতের নির্দেশের পরও বাংলাদেশে পাঠানো হল না কেন? পুলিসকে গুলির জন্য সাজ্জাককে অস্ত্র সরবরাহ করেছিল আবদুল? সূত্রের খবর, গোয়ালপোখরের বাঁশপুকুর দিয়ে বাংলাদেশ পালানোর ছক। তাই বেড়েছে পুলিসি টহল। পশ্চিমবঙ্গই কি বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের নিরাপদ আশ্রয় হয়ে উঠছে? প্রশ্ন তুলছেন বিরোধীরা।
উত্তর দিনাজপুরে পুলিশকে গুলি কাণ্ডে বাংলাদেশ যোগ। বাংলাদেশ থেকে এসে বাংলায় বসবাস?


