নেপালের রাজনৈতিক অস্থিরতার মাঝেই সামনে এল প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলির বিস্ফোরক দাবি। সেনার সুরক্ষায় শিবপুরি ব্যারাক থেকে তিনি অভিযোগ করেছেন, ক্ষমতা হারানোর নেপথ্যে মূল ভূমিকা ভারতের। তাঁর কথায়, নয়াদিল্লির সঙ্গে একাধিক ইস্যুতে ভিন্ন অবস্থান নেওয়ার ফলেই তাঁকে সরতে হয়েছে। বিশেষ করে লিপুলেখ সীমান্ত প্রশ্ন এবং অযোধ্যাকে ঘিরে বিতর্কই তাঁকে ক্ষমতাচ্যুত করার বড় কারণ বলে দাবি ওলির। তিনি মনে করিয়ে দেন, ২০২০ সালে তিনি প্রকাশ্যে বলেছিলেন ভগবান রামের জন্মভূমি ভারতের অযোধ্যা নয়, বরং নেপালের বীরগঞ্জের পশ্চিমে অবস্থিত। সেই মন্তব্যের পর থেকেই দুই দেশের সম্পর্কে তীব্র চাপানউতোর শুরু হয়।
অন্যদিকে, দুর্নীতির অভিযোগ ঘিরে গত সপ্তাহে তীব্র আন্দোলনে নামে জেন জি। উত্তেজিত জনতা একাধিক মন্ত্রী-নেতার বাড়ি ভাঙচুর করে, রাস্তায় নামিয়ে মারধর করে। হিংসাত্মক পরিস্থিতির মধ্যে মঙ্গলবার পদত্যাগ করতে বাধ্য হন ওলি। বর্তমানে সেনার হাতে ক্ষমতা গিয়েছে এবং অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব নিতে চলেছেন প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি সুশীলা কারকি। অশান্ত নেপালকে ঘিরে দক্ষিণ এশিয়ায় তৈরি হয়েছে নতুন অনিশ্চয়তা, যার দিকে কড়া নজর রাখছে ভারত।


