দিল্লি হাইকোর্টে বড় ধাক্কা খেলেন বলিউড অভিনেতা রাজপাল যাদব। ৯ কোটির চেক বাউন্স মামলায় তাঁর জামিনের আবেদন খারিজ করেছে আদালত। ফলে আপাতত তিহাড় জেলেই থাকতে হবে তাঁকে। তবে আইনি লড়াই যে এখানেই থেমে নেই, তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন তাঁর আইনজীবী ভাস্কর উপাধ্যায়।
আদালতের বাইরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে উপাধ্যায় জানান, বকেয়া টাকার একটি বড় অংশ ইতিমধ্যেই মিটিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁর দাবি, মোট টাকার প্রায় অর্ধেক পরিশোধ করা হয়েছে এবং বাকি অংশ কীভাবে দ্রুত মেটানো যায়, তা নিয়ে আলোচনা চলছে। খুব শিগগিরই রাজপালের ম্যানেজার তিহাড় জেলে গিয়ে তাঁর সঙ্গে দেখা করবেন বলেও জানান তিনি। সেখানেই বাকি অর্থ পরিশোধের রূপরেখা চূড়ান্ত হতে পারে।
আইনজীবীর কথায়, ২০১২ সালে হওয়া চুক্তিকে কেন্দ্র করেই এই আর্থিক বিবাদ। বিনিয়োগের জন্য টাকা নেওয়া হয়েছিল—এ কথা অস্বীকার করা হচ্ছে না। তবে অতীতে টাকা ফেরত দেওয়ার চেষ্টা করা হলেও অভিযোগকারী সংস্থা তা গ্রহণ করেনি বলেও দাবি করেন তিনি। ঠিক কার কাছ থেকে অর্থ নেওয়া হয়েছিল, সে বিষয়ে মুখ খোলেননি উপাধ্যায়। তাঁর মন্তব্য, বিষয়টি পারিবারিক এবং সংবেদনশীল।
এদিকে অভিনেতার স্ত্রী রাধা যাদব জানিয়েছেন, এই কঠিন সময়ে চলচ্চিত্র জগতের বহু মানুষ তাঁদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন তিনি।
উল্লেখ্য, পারিবারিক অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কারণ দেখিয়ে জামিন চেয়েছিলেন রাজপাল। কিন্তু বিচারপতি স্বর্ণা কান্তের বেঞ্চ সেই আবেদন নাকচ করে কড়া বার্তা দেয়। আদালতের পর্যবেক্ষণ, এর আগে বহুবার সুযোগ দেওয়া সত্ত্বেও বকেয়া পরিশোধে দেরি হয়েছে। এমনকি বিদেশে গিয়ে উপার্জন করে টাকা শোধের আশ্বাসও বাস্তবায়িত হয়নি।
এখন সোমবারের শুনানির দিকে তাকিয়ে রাজপাল যাদব ও তাঁর আইনজীবী দল। আদালত কী সিদ্ধান্ত নেয়, তার উপরই নির্ভর করছে অভিনেতার আগামী দিনের আইনি লড়াই।


