শুভেন্দু অধিকারী। এই রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে হারিয়ে নন্দীগ্রামের বিধায়ক হয়েছেন। বিজেপির টিকিটে। সেই শুভেন্দুর মন্তব্যেই দুই ভাগে বিভক্ত বঙ্গ বিজেপি।
২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটের দামামা রাজ্যে বেজে গিয়েছে। বিজেপি ক্ষমতায় আসবে। তৃণমূল সরকারকে হারিয়ে। প্রচার শুরু করেছে রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল। এরই মাঝে শুভেন্দু অধিকারী দিন কয়েক আগে, বিধানসভার গেটের বাইরে দাঁড়িয়ে বলেছেন, বিজেপি ক্ষমতায় এসে তৃণমূলের যে ক’জন সংখ্যালঘু বিধায়ক আছেন, তাঁদের চ্যাংদোলা করে ছুড়ে ফেলবে। আর এতেই তেঁতে উঠেছে বঙ্গ বিজেপির একাংশ। খোদ দিলীপ ঘোষ বলেছেন, সরকারি তরফে হাওয়া গরম করার চেষ্টা করা হচ্ছে। কিন্তু কোনও মন্তব্যকেই আমি সমর্থন করি না।
শুধু দিলীপ ঘোষ নন, শুভেন্দুর মন্তব্যে অখুশি বিজেপির সংখ্যালঘু নেতা কর্মীরা। এক সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদনে শোনা গেছে, স্বরূপনগরে বিজেপির নেতা কর্মীদের প্রতিক্রিয়া। তাঁরা বলছেন, শুভেন্দুবাবু এমন মন্তব্য করছেন, ভাষণ দিচ্ছেন। আমরা ভাবতে পারিনি এমন কালচারের মধ্যে ভারতীয় জনতা পার্টিতে থাকতে হবে। আবার কেউ বলছেন, লোকসভার আসন বিজেপির কমেছে। ১৮ থেকে ১২ হয়েছে ওনার জন্যই। বিজেপির এক নেতা বলছেন, স্বরূপনগরে ৪৯ শতাংশ সংখ্যালঘু ভোটার। ফলে এই ধরনের মন্তব্যে ভোটে প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন বিজেপি নেতৃত্বের একাংশ। শুভেন্দুর মন্তব্যে পদ্মে মহা-কোন্দলের আভাস।


