উত্তর দিনাজপুরের গোয়ালপখরে পুলিশকে গুলি করে পালিয়ে যায় বিচারাধীন বন্দি সাজ্জাক আলাম। তাকে সাহায্য করে আব্দুল। দুজনকেই খুঁজতে ২ লক্ষ টাকা করে মাথার দাম ধার্য করে পুলিশ। পুলিশের কাছে খবর ছিল বাংলাদেশ পালাতে পারে দুই অভিযুক্ত। সেই মতো শুক্রবার উত্তর দিনাজপুর যান ডিজি রাজীব কুমার। এরপরই শনিবার সকালে চাঞ্চল্যকর খবর। পুলিশ সূত্রে দাবি করা হয়, সীমান্ত পেরোনোর সময় পুলিশের গুলিতে মৃত্যু হয় সাজ্জাকের। পরবর্তীতে সাংবাদিক বৈঠক করেন রাজ্য পুলিশের ডিজি আইনশৃঙ্খলা জাভেদ শামীম। তিনি জানান, সীমান্ত থেকে পালানোর সময় সাজ্জাককে থামতে বলা হয়েছিল কিন্তু সে শোনেনি। পাল্টা দু তিন রাউন্ড গুলি চালায়। আত্মরক্ষার খাতিরে পুলিশের তরফ থেকে গুলি বর্ষণ করা হয়। বেশ কয়েকটি গুলি লাগে সাজ্জাকের গায়ে। তাঁর পিঠে, গলায় এবং পায়ে গুলি লেগেছিল। কিন্তু তখনও জীবিত ছিলেন তিনি। এরপর হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। নানা মহল প্রশ্ন তুলছে, যোগীরাজ্যের এনকাউন্টার পদ্ধতির পথেই হাঁটছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ?
বাংলা এনকাউন্টারের পথে হাঁটছে?


