ধর্মের ভিত্তিতে মিড ডে মিলে ভাগাভাগি। ঘটনা অদ্ভুত শুনতে লাগলেও বিগত বেশ কয়েক বছর ধরে এমন ঘটনা ঘটে আসছে পূর্বস্থলী ১ নম্বর ব্লকের নসরতপুর পঞ্চায়েতের অন্তর্গত কিশোরগঞ্জ মনমোহনপুর অবৈতনিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। হিন্দু সম্প্রদায়ের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য রান্না করেন হিন্দু রাধুনী। অপরদিকে মুসলিম সম্প্রদায়ের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য রান্না করেন মুসলিম সম্প্রদায়ের রাধুনী। হাতা, খুন্তি, থালা, গামলা থেকে শুরু করে ওভেন দুটি পর্যন্ত আলাদা। ফুলের বন্ধুদের সাথে পড়াশোনা পাশাপাশি এক বেঞ্চিতে বসা সমস্ত কিছু একসাথে চললেও মিড ডে মিলের ক্ষেত্রে এমন অদ্ভুত ব্যবস্থাপনা। দীর্ঘ বেশ কয়েক বছর ধরেই এমন ঘটনা চলে আসছে ওই স্কুলে। রাধুনীরা জানাচ্ছেন আমাদের যেমন নির্দেশ দেয়া হয়েছে তেমনি রান্না করি আমরা। এ প্রসঙ্গে মঙ্গলবার স্কুলের প্রধান শিক্ষক তাপস ঘোষ তিনি বলেন আমিও এই বিষয়টি চাই না,আমার এখানে ডবল খরচা হচ্ছে, আমি স্কুলটার আরো উন্নতি করতে চাই, বাচ্চাদের ভালোভাবে খাওয়াতে চাই। সমস্যা মিটুক চাইছেন তিনিও। এ প্রসঙ্গে কালনার মহকুমা শাসক শুভম আগরওয়াল তিনি ফোনে জানান, আজ আমরা এই ঘটনা জানার পরে প্রতিনিধিদের ইনফেকশনে পাঠিয়ে ছিলাম, সেই রকম কিছু পাওয়া যায়নি। তবে এসআই এবং বিডিওদের ক্লিয়ার ইন্সট্রাকশন দেওয়া রয়েছে এই রকম কিছুই করা যাবে না। সকলেই একসাথে রান্না হবে সকলেই একসাথে খাবে।


