বাংলাদেশে শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ড ঘোষণার পর পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। রায় প্রকাশ হতেই বিভিন্ন জেলায় বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে এবং মুহূর্তে তা হিংসায় পরিণত হয়। ঢাকার পাশাপাশি চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশাল—কয়েকটি বড় শহরে উত্তেজনা ছড়ায়।
সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে প্রাক্তন রাষ্ট্রপতির বাড়িতে হামলার মাধ্যমে। স্থানীয়দের দাবি, শতাধিক লোকের একটি দল আচমকা সেখানে চড়াও হয় এবং বাড়ির বাইরে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের চেষ্টা করে। নিরাপত্তারক্ষীরা বাধা দিলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পুলিশ পরে ঘটনাস্থলে পৌঁছে টিয়ার গ্যাস ও রাবার বুলেট ছুঁড়ে জনতাকে সরানোর চেষ্টা করে।
এদিকে আওয়ামি লিগ নেতাকর্মীদের বাড়িতেও একাধিক হামলার অভিযোগ উঠেছে। শাসকদলের বেশ কিছু জনপ্রতিনিধির বাড়িতে ঢুকে তাণ্ডব চালানোর ঘটনায় দফায় দফায় সংঘর্ষ বাধে। প্রতিপক্ষ গোষ্ঠী ও পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তির মাঝেই এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে খবর। আরও কয়েকজন গুরুতর জখম হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
হঠাৎ পরিস্থিতি অবনতি হওয়ায় প্রশাসন বেশ কিছু এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করেছে। কোথাও কোথাও সীমিত আকারে কারফিউ জারির সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দেশের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে সূত্রের দাবি।
এই ঘটনাপ্রবাহে বাংলাদেশজুড়েই আতঙ্ক ছড়িয়েছে। সরকার পরিস্থিতি শান্ত করতে আলোচনার বার্তা দিয়েছে, তবে উত্তেজনা এখনও পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি।


