গ্রহণের আগে খাবার খেয়ে নিতে হবে। জল ফেলে দিতে হবে। শৌচকর্ম করা যাবে না। অন্তঃসত্ত্বাদের সোজা হয়ে শুয়ে থাকতে হবে। কড়াকড়ি চরমে!
চন্দ্রগ্রহণ। বই বলে, পৃথিবীর ছায়া চাঁদের উপর পড়লেই গ্রহণ হয়। আর কুসংস্কার বলে, রাহু-কেতু ইত্যাদি। রবিবার চন্দ্রগ্রহণ। দেড় ঘণ্টা পূর্ণগ্রাস। বাকি সময় আংশিক। সব মিলিয়ে চার ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে গ্রহণ। পূর্ণগ্রাসে চাঁদ লাল, ব্লাডমুন।
যাইহোক এই গ্রহণে চাঁদের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেই যায়।
চন্দ্রগ্রহণ নিয়ে কুসংস্কার কম নেই:
- গ্রহণের আগে খাবার খেয়ে নিতে হবে। গ্রহণ লেগে গেলে খাওয়া যাইবে না
- জল ফেলে দিতে হবে। জল খাওয়া যাবে না।
- শৌচকর্ম করা যাবে না
- অন্তঃসত্ত্বাদের সোজা হয়ে শুয়ে থাকতে হবে। নাহলে সন্তানের বিপদ অবশ্যম্ভাবী
- কেউ কেউ বলেন, ফোনে কথা বলা যাবে না
আসলে এইসব কিছুর পিছনেই রয়েছে বৈজ্ঞানিক কারণ। গ্রহণের সময়ে বিশেষ ব্যাকটেরিয়া বের হয়। যে কারণে খাবার খেতে বা আকাশের দিকে তাকাতে বারণ করা হয়। এছাড়া আর কোনও কারণ নেই। আর অন্তঃসত্ত্বার বিষয়টি একেবারেই লোককথা।


