আজ ১২ জানুয়ারি, সারা দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে জাতীয় যুব দিবস। ভারতের অন্যতম শ্রেষ্ঠ দার্শনিক ও চিন্তাবিদ স্বামী বিবেকানন্দের জন্মদিন উপলক্ষে প্রতি বছর এই দিনটি যুব দিবস হিসেবে উদ্যাপন করা হয়। ১৮৬৩ সালের এই দিনে কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন স্বামী বিবেকানন্দ, যাঁর চিন্তা ও দর্শন আজও ভারতীয় যুবসমাজকে পথ দেখায়।
জাতীয় যুব দিবসের মূল উদ্দেশ্য হল তরুণ প্রজন্মকে স্বামী বিবেকানন্দের আদর্শ, মূল্যবোধ ও জীবনদর্শনের সঙ্গে পরিচিত করা। তিনি বিশ্বাস করতেন, শক্তিশালী ও আত্মবিশ্বাসী যুবসমাজই একটি শক্তিশালী জাতির ভিত্তি। “উঠো, জাগো এবং লক্ষ্যে না পৌঁছানো পর্যন্ত থেমো না”—এই বাণী আজও তরুণদের অনুপ্রেরণার প্রধান উৎস।
এই দিনটি উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে স্কুল-কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় এবং সামাজিক সংগঠনগুলির উদ্যোগে আলোচনা সভা, যুব সম্মেলন, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও সচেতনতা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। অনেক জায়গায় স্বামী বিবেকানন্দের জীবন ও কর্ম নিয়ে বিশেষ আলোচনা এবং তাঁর বক্তব্য পাঠ করা হচ্ছে।
বর্তমান সময়ে যখন যুবসমাজ নানা সামাজিক ও অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি, তখন স্বামী বিবেকানন্দের চিন্তা আরও বেশি প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে। আত্মনির্ভরতা, চরিত্র গঠন, মানবসেবা এবং জাতীয়তাবোধ—এই মূল্যবোধগুলিই যুবসমাজকে এগিয়ে যেতে সাহায্য করতে পারে।
জাতীয় যুব দিবস শুধু একটি স্মরণীয় দিন নয়, বরং এটি তরুণদের আত্মবিশ্বাসী, দায়িত্বশীল ও মানবিক নাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠার এক গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করে।


