রিপোর্টার – নারায়ণচন্দ্র মাইতি
বিধানসভা ভোট আসছে। তার আগেই পূর্ব মেদিনীপুরে বিজেপির সংগঠনে বড়সড় ভাঙন। হলদিয়ার বিধায়কের পরে তৃণমূলে যোগ দিলেন তমলুকের শহীদ মাতঙ্গিনী পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি। বিজেপি ছাড়তেই মহিলা সভাপতিকে চরিত্রহীন তকমা, বারবনীতার সাথে তুলনা বিজেপির।
বিজেপি ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেন তমলুকের বিজেপি পরিচালিত শহীদ মাতঙ্গিনী পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি। ২০২৩ সালে পঞ্চায়েত নির্বাচনে পঞ্চায়েত সমিতি দখল করে বিজেপি। সেই সময় শহীদ মাতঙ্গিনী পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি নির্বাচিত হন সংগীতা আদক মাইতি। দীর্ঘ দুবছর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ছিলেন সংগীতা আদক মাইতি।প্রসঙ্গত ২০২৩ এই শহীদ মাতঙ্গিনী পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি নির্বাচন ঘিরে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছিল।সেই সময় বিজেপির অপর গোষ্ঠীর হাতেই বাধা প্রাপ্ত হয়েছিলেন পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সংগীতা আদক মাইতি।এরপর ওই পঞ্চায়েত সমিতি বিজেপি দখল করে। শহীদ মাতঙ্গিনী পঞ্চায়েত সমিতির মোট আসন সংখ্যা ছিল ৩০ টি।সেই সময় বিজেপি আসন পায় ১৬, সিপিএম ১,তৃনমূল ১৩ টি ।পরবর্তী সময় সিপিএম বিজেপিকে সমর্থন করে।তমলুক সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল কার্যালয়ে বিজেপি ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করলেন সংগীত আদক মাইতি। যদি ওই নিয়ে সংগীতা আদক মাইতি বলেন -“দীর্ঘদিন কাজ করতে পারছিলাম না।গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছিল।বারবার কাজে বাধা প্রাপ্ত হচ্ছিলাম। মুখ্যমন্ত্রীর উন্নয়ন দেখে তৃণমূলে যোগদান করলাম।”
জেলা সভাপতি সুজিত রায় বলেন-” কয়েকদিনের মধ্যেই শহীদ মাতঙ্গিনী পঞ্চায়েত সমিতি তৃণমূল কংগ্রেস দখল করবে।” তবে এই নিয়ে কুৎসার রাজনীতিতে নেমেছে বিজেপি। বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিতেই মহিলা সভাপতিকে চরিত্রহীন তকমা রাজ্যের প্রধান বিরোধীদলের,এমনকি বারবনীতার সাথেও তুলনা করা হয় সঙ্গীত দেবীকে।বিজেপির অভিযোগ -“সভাপতি হওয়ার পর থেকে উনি কেনো মিটিং মিছিলে অংশগ্রহণ করেননি। বরং তৃনমূল নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছিলেন। তৃনমূল নেতাদের সাথে মিটিং মিছিলে অংশগ্রহণ করেছিলেন।তাই উনি যাওয়াতে আমরা দুঃখিত নয় বরং আমরা খুশি হয়েছি।”


