যাঁর একটাই সংলাপ গোটা দেশকে হাসাতে পারে, সেই রাজপাল যাদবের নাম এবার উঠে এল আদালতের কঠোর নির্দেশে। পর্দার কৌতুক চরিত্র থেকে বাস্তবের অভিযুক্ত—চেক বাউন্স মামলায় অভিনেতার সামনে ফের জেলের দরজা খুলে গেল।
দিল্লি হাই কোর্ট এবার আর কোনও ‘সময়’ দিতে নারাজ। কারণ একটাই—আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল, টাকা ফেরানো হবে। কিন্তু সেই প্রতিশ্রুতি কাগজেই রয়ে গেছে। আদালতের ভাষায়, বিশ্বাস ভাঙার জায়গায় আর নমনীয়তার অবকাশ নেই।
এই মামলা নতুন নয়। ২০১৮ সালে প্রথম সাজা ঘোষণা হয়েছিল। তারপর বছরের পর বছর ধরে স্থগিতাদেশ, আপিল, আর সমঝোতার আশায় কাটিয়েছে আদালত। এমনকী ২০২৪ সালেও রাজপালকে শেষ সুযোগ দিয়েছিল বিচারব্যবস্থা। আশা ছিল, পাওনাদারদের সঙ্গে নিষ্পত্তি হবে। বাস্তবে তা হয়নি।
হ্যাঁ, দেড় কোটি টাকা জমা পড়েছে। কিন্তু হিসেব বলছে, এখনও প্রায় ৯ কোটি টাকা ফেরত বাকি। সেই অঙ্কটাই আজ অভিনেতার ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করছে।
বর্তমানে মুম্বইয়ে থাকা রাজপালকে বুধবার বিকেল চারটার মধ্যে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। অতীতেও তিহাড়ের স্বাদ পেয়েছেন তিনি। এবার সেই অধ্যায় ফের খুলতে চলেছে বলেই ইঙ্গিত।
হাসির মানুষটার গল্প আপাতত আর হাসির নয়—এটা আদালতের ফাইল নম্বর হয়ে ওঠা এক অভিনেতার বাস্তব জীবন।


