রঘুনন্দনের চরিত্রে প্রাণ সঞ্চার করতে নিজেকে যেন নতুন করে নির্মাণ করেছিলেন রণবীর কাপুর। এই চরিত্র শুধুমাত্র অভিনয় নয়, তাঁর জীবনের এক কঠোর সাধনায় পরিণত হয়েছিল। টানা তিন বছর ধরে জিমে ঘাম ঝরিয়ে গড়ে তুলেছেন নিখুঁত শারীরিক গঠন, বদলে ফেলেছেন নিজের দৈনন্দিন জীবনযাত্রাও।
চরিত্রের সঙ্গে একাত্ম হতে গিয়ে ব্যক্তিগত অভ্যাসেও এনেছিলেন আমূল পরিবর্তন। মদ্যপান থেকে দূরে থাকা, এমনকি আমিষ খাবার ত্যাগ—সবটাই ছিল রামচরিত্রের ভাবনায় নিজেকে সম্পূর্ণভাবে নিমজ্জিত করার প্রয়াস। যদিও এই ত্যাগ নিয়ে নানা মহলে বিতর্ক রয়েছে, তবুও তাঁর নিষ্ঠা ও প্রস্তুতি নিয়ে কোনও সংশয় নেই।
সম্প্রতি মার্কিন মুলুকে এক অনুষ্ঠানে সেই সাধনার প্রতিফলনই ধরা পড়ল তাঁর কথায়। রণবীরের স্পষ্ট বক্তব্য, “বিশ্বের অগণিত মানুষের বিবেক ও নৈতিকতার প্রতীক শ্রীরাম।” তাঁর এই মন্তব্যে যেমন ভক্তদের আবেগ উথলে উঠেছে, তেমনই নতুন করে শুরু হয়েছে আলোচনা।
চলচ্চিত্রের চরিত্রকে জীবনের সঙ্গে এমনভাবে মিশিয়ে নেওয়া খুব কম অভিনেতার পক্ষেই সম্ভব। রণবীর কাপুর সেই কঠিন পথেই হেঁটে দেখালেন—একজন অভিনেতার কাছে চরিত্র শুধু অভিনয় নয়, এক গভীর আত্মিক যাত্রা।


