গেলিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত ভগলদিঘি বাজারে জনসম্পর্ক অভিযানে অংশ নিলেন বিজেপি নেতা Dilip Ghosh। পাশাপাশি হেতিয়া এলাকায় কার্যকর্তাদের সঙ্গে চা চক্রেও যোগ দেন তিনি। কর্মীদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলে সংগঠন মজবুত করার বার্তা দেন।
ভগলদিঘি নামের পিছনে রয়েছে একটি বড় দিঘির ইতিহাস। সেই দিঘির নামেই এলাকার নামকরণ। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে দিঘিটি এখন প্রায় মজে গিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। একসময় এখানে মাছ চাষ হত, স্থানীয়দের আয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস ছিল এই জলাশয়। বর্তমানে তা সম্পূর্ণ বন্ধ। ফলে সরকারের কোনো রাজস্ব আসছে না, একই সঙ্গে বন্ধ হয়েছে কর্মসংস্থানের পথও।
দিলীপ ঘোষ এই প্রসঙ্গ তুলে বলেন, শুধু ভগলদিঘি নয়, পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে এমন বহু জলাশয় অবহেলায় নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। সঠিক সংস্কার ও পরিকল্পনা হলে এই সব দিঘি ও পুকুরকে ঘিরে গড়ে উঠতে পারে অর্থনীতি, তৈরি হতে পারে বহু মানুষের কাজের সুযোগ। তাঁর কথায়, পরিবর্তনের জন্য মানুষ এখন বিকল্প খুঁজছে এবং সেই বিকল্প হিসেবে বিজেপির দিকেই তাকিয়ে রয়েছে বাংলার মানুষ।
এদিকে শীত প্রায় বিদায় নিয়েছে, গরমের দাপট বাড়ছে। বাঁকুড়ার চড়া রোদ উপেক্ষা করেই প্রচারে ঝাঁপিয়েছেন কর্মীরা। তপ্ত রোদেও থেমে নেই জনসংযোগ। দলীয় নেতৃত্বের দাবি, কর্মীদের এই ঘাম ও পরিশ্রমই একদিন বিজেপিকে রাজ্যের ক্ষমতায় পৌঁছে দেবে।


