ফের অনন্যার সঙ্গে কাজ করা যেন নন্দিতা-শিবপ্রসাদের কাছে পুর্নিমিলনের থেকে কোনও অংশে কম নয়। পরিচালক বলছেন, “‘ফুল পিসি ও এডওয়ার্ড’ ছবিতে রিউইনিয়ন পর্ব চলছে। অনন্যা চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে প্রথমবার সিনেমার পর্দায় একসাথে কাজ করলেও এর আগে টেলিভিশনে অভিনেতা হিসেবে কাজ করেছি একসঙ্গে। ডান্স রিয়েলিটি শো’তেও কাজ করেছি। যে শোতে অনন্যা চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। পরবর্তীকালে জাতীয় পুরস্কার পেয়েছে ঋতুপর্ণ ঘোষের ‘আবহমান’ ছবিতে অভিনয় করে। এবার ‘ফুল পিসি ও এডওয়ার্ড’ ছবিতে পুতুল বাঈয়ের চরিত্রে ওঁর একটি একক ডান্স পারফর্মেন্সের দৃশ্য ছিল। কত্থক জানে কিন্তু তারপরেও সিনেমার জন্য তালিম নিয়েছে।” যাকে নিয়ে পরিচালকজুটির এহেন প্রশংসা, তিনি কী বলছেন?
“প্রচণ্ড ব্যথা বাড়ায় আমি চিকিৎসক বিকাশ কাপুরের কাছে যাই। উনি একটা বড়় অস্ত্রোপচারের পরামর্শ দেন আমাকে। পাশাপাশি অপারেশনের পর ৬ মাস পুরোপুরি বিশ্রামেও থাকার নিদান দিয়েছিলেন। একথা শুনে অস্ত্রোপচারের দিনক্ষণ কবে ঠিক করব? সেটা যখন ভাবছি, ঠিক সেসময়েই আমার কাছে শিবুর ফোন…”
অনন্যা জানালেন, “আমার আগে একটা পারফরম্যান্স করতে গিয়ে হাঁটুর দিকের লিগামেন্ট ছিড়ে গিয়েছিল। তবে সেটাকে পাত্তা না দিয়ে ওষুধ, পেনকিলার খেয়ে আমি শুটিং করে গিয়েছি। তারপর প্রচণ্ড ব্যথা বাড়ায় আমি চিকিৎসক বিকাশ কাপুরের কাছে যাই। উনি একটা বড়় অস্ত্রোপচারের পরামর্শ দেন আমাকে। পাশাপাশি অপারেশনের পর ৬ মাস পুরোপুরি বিশ্রামেও থাকার নিদান দিয়েছিলেন। একথা শুনে অস্ত্রোপচারের দিনক্ষণ কবে ঠিক করব? সেটা যখন ভাবছি, ঠিক সেসময়েই আমার কাছে শিবুর ফোন আসে। যেহেতু এখানে নাচের বিষয়টাও রয়েছে, আর নাচ আমার বরাবরের দুর্বলতা, সেজন্য ডাক্তারের পরামর্শ না নিয়ে এদিক-ওদিক না ভেবেই আমি তৎক্ষণাৎ হ্যাঁ বলে দিই। শিবুকে সবুজ সংকেত দেওয়ার পর আমি ডাক্তারকে জানাই, যেভাবেই হোক না কেন আমি যেন কাজটা ঠিক করে করতে পারি। বিকাশ কাপুরের যদিও খুব একটা ইচ্ছে ছিল না, কিন্তু আমার পীড়াপিড়িতেই শেষমেশ আমার হাঁটুতে উনি ইনজেকশন দেন। সেদিন হাসপাতাল থেকে বেরিয়েই আমি সোজা ‘ফুল পিসি’র কস্টিউম ট্রায়ালের জন্য যাই। এসব নিয়েই সারারাত শুট করি। তারপর বাড়ি ফিরে ব্যথায় কাতর… এই যা! ঈশ্বরের কৃপায় সব ভালো ভালোয় হয়ে গিয়েছে।”


