রাজধানী দিল্লিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছে দেশ। ঘটনায় এখনও পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ১৩ জন, আহত বহু। সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পড়েছে, বিস্ফোরণের আগে সুনহেরি মসজিদের পার্কিং লটে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে ছিল সন্দেহভাজন গাড়িটি। তদন্তে ইঙ্গিত মিলছে, জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদ এই হামলার নেপথ্যে থাকতে পারে।
এই মর্মান্তিক ঘটনার মাঝেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি রয়েছেন দু’দিনের ভুটান সফরে। ঠিক এই কারণেই বিরোধী শিবিরে শুরু হয়েছে তীব্র সমালোচনা।
আম আদমি পার্টির নেতা সৌরভ ভারদ্বাজ প্রশ্ন তুলেছেন, “দেশে যখন যুদ্ধ পরিস্থিতি, তখন প্রধানমন্ত্রী বিদেশে কেন?” তিনি মনে করিয়ে দিয়েছেন, “প্রধানমন্ত্রী নিজেই বলেছেন—জঙ্গি হানা মানেই যুদ্ধ অপরাধ। তাহলে এখনই তো যুদ্ধের সময়।”
অন্যদিকে কংগ্রেস এই ঘটনায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের পদত্যাগ দাবি করেছে। তাঁদের অভিযোগ, “দেশের নিরাপত্তা ব্যর্থ, অথচ প্রধানমন্ত্রী সফরে ব্যস্ত।”
ভুটান থেকে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। তাঁর বক্তব্য, “দিল্লির ঘটনায় আমি গভীরভাবে ব্যথিত। গোটা দেশ শোকস্তব্ধ। আমি নিজে তদন্ত সংস্থাগুলির সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছি। দোষীরা রেহাই পাবে না।”
তবুও বিরোধীদের প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে—দেশ এমন কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে, আর প্রধানমন্ত্রী দেশের বাইরে কেন?


