আগরপাড়ার বাসিন্দা প্রদীপ করের মৃত্যু ঘিরে ফের রাজনৈতিক তরজায় উত্তাল বাংলা রাজনীতি। এবার মুখ খুললেন বঙ্গ বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তাঁর দাবি, “প্রদীপ কর আত্মহত্যা করেননি, এটা স্পষ্টতই খুন।”
দিলীপ ঘোষের প্রশ্ন, “যদি আত্মহত্যা হয়ে থাকে, তবে তাঁর হাতের মধ্যে সুইসাইড নোট কীভাবে এল? জানলা ভাঙা ছিল, সেখান দিয়ে কেউ ঢুকে হাতে সুইসাইড নোট গুঁজে দিয়েছে।” তিনি আরও বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করতে হবে। কেউ কিছু বললেই উনি স্টেটমেন্ট দিয়ে দেন। এতে রাজ্য সরকারের দায় এড়ানো যায় না।”
‘জাস্টিস ফর প্রদীপ কর’ স্লোগান প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষের কটাক্ষ, “রাস্তার লোকেদের আন্দোলনের জন্য একটা স্লোগান দরকার, সেটাই এখন হচ্ছে।”
উল্লেখ্য, তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আগরপাড়ায় প্রদীপ করের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন এবং কমিশন ও বিজেপিকে একযোগে আক্রমণ করেন। তিনি বলেন, “প্রদীপ করের মৃত্যুর জন্য বিজেপি ও কমিশন সমানভাবে দায়ী।”
তৃণমূলের তরফে জয়প্রকাশ মজুমদার পাল্টা বলেন, “বিজেপি এখন উত্তর খোঁজার চেষ্টা করছে। একটা নয়, একাধিক আত্মহত্যার ঘটনা ঘটছে। মানুষ দিশেহারা। বিজেপিকেই তার উত্তর দিতে হবে।”
বিজেপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, প্রদীপ করের নাম ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় ছিল, ফলে নাম বাদ যাওয়ার কোনও সম্ভাবনা ছিল না। দিলীপ ঘোষ বলেন, “বাংলায় এখন দেড় মাস ধরে মাতৃশক্তির আরাধনা চলছে, অথচ রাজ্যে মহিলারা নিরাপদ নন। একের পর এক ঘটনাই তার প্রমাণ।”
তৃণমূলের কটাক্ষ, “এসআইআর-এর মাধ্যমে বিজেপি চুপি চুপি ভোটে কারচুপি করতে চাইছে। গণতান্ত্রিকভাবে নয়, ভোট চুরির পথেই ক্ষমতা দখলের চেষ্টা করছে বিজেপি।”


