কলকাতায় পুর নিয়োগ কেলেঙ্কারি: তারাতলায় ব্যবসায়ীর বাড়িতে নোটে ঢাকা আলমারি! মানি-কাউন্টারে কোটি টাকার নগদ, মিলল সোনার বস্তা

Spread the love

পুর নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে ফের বিস্ফোরণ! মঙ্গলবার ভোরে কলকাতার একাধিক জায়গায় তল্লাশি শুরু করতেই ইডির হাতে উঠে এল টাকার পাহাড়। তারাতলার এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে দরজা ভাঙতেই চক্ষুচড়কগাছ গোয়েন্দাদের — আলমারির পর আলমারি ভর্তি নোটের গুচ্ছ! সঙ্গে সঙ্গে ডাকা হয় মানি কাউন্টিং মেশিন। প্রথম গোনা থামতেই কোটি টাকার বেশি নগদ মিলেছে বলে সূত্রের দাবি। এখানেই শেষ নয় — লেকটাউনের অফিস থেকে উদ্ধার হয়েছে কয়েক কিলো সোনা!

কী এই রহস্যের শিকড়? তদন্তকারীদের দাবি, পুর নিয়োগ দুর্নীতির আর্থিক স্রোতের সঙ্গেই যুক্ত এই ব্যবসায়ী। অয়ন শীল-সহ যাঁরা ইতিমধ্যেই গ্রেফতার — তাঁদের জেরায় উঠে এসেছিল একাধিক মধ্যস্বত্বভোগীশেল কোম্পানির নাম। সেই সূত্রেই আজকের অভিযান।

বছরের পর বছর ধরে চাকরি বেচাকেনার অভিযোগে উত্তাল বাংলা। স্কুল-কলেজের পর এবার পুরসভা! কে নিয়োগ পেল আর কে ঘুষে খেল — তার উত্তর খুঁজতে গিয়েই উঠে আসছে কোটি কোটি টাকার কালো হিসেব

চলতি মাসেই মন্ত্রী সুজিত বসুর সল্টলেক অফিস ও তাঁর ছেলে পরিচালিত রেস্তরাঁয় দীর্ঘ তল্লাশির পরও মিলেছিল অগুনতি নথি। তখনই শুরু হয়েছিল রাজনৈতিক চাপানউতোর। বিরোধীদের অভিযোগ — দুর্নীতির নোংরা খেলায় শাসকদলের বড় নেতারাও জড়িত। আর শাসকদের দাবি — ভোটের আগে এজেন্সির নাটক!

কিন্তু আজকের নগদ-সোনা উদ্ধারের পর প্রশ্ন আরও তীব্র —
কোথা থেকে এল এত টাকা? কার স্বার্থে চলছিল এই সিন্ডিকেট?

শহরজুড়ে চলছে তল্লাশি। ইডির লক্ষ্য একটাই — টাকার গন্ধ ধরে পুর নিয়োগ কেলেঙ্কারির মাস্টারমাইন্ডকে চিহ্নিত করা।

এখন তাকিয়ে শুধু একটাই জায়গায় —
আর কে? এবার কার দরজায় কড়া নাড়বে ইডি?


Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *