প্রায় এক বছর ধরে দেশের গোয়েন্দা সংস্থাগুলির নজরে ছিল উমরদের দল। তদন্তে স্পষ্ট হয়েছে, দেশের বিভিন্ন বড় শহরে একযোগে বিস্ফোরণ ঘটানোর ছক কষছিল তারা। আত্মঘাতী হামলার প্রস্তুতিও চলছিল গোপনে।
গোয়েন্দাদের দাবি, গোপন অনলাইন গ্রুপ আর এনক্রিপটেড চ্যাটে আন্তর্জাতিক হ্যান্ডলারদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখত এই মডিউল। কোথায় হামলা হবে, কীভাবে বিস্ফোরক পৌঁছবে—সব কিছু সাজানো হচ্ছিল আড়ালে।
তল্লাশিতে উদ্ধার হয়েছে ইলেকট্রনিক ডিভাইস, নথি এবং বিস্ফোরক তৈরির নকশা। অর্থের উৎস সম্পর্কেও কিছু তথ্য পেয়েছেন তদন্তকারীরা। সব মিলিয়ে পরিষ্কার, আন্তর্জাতিক জঙ্গি চক্রের নির্দেশেই এগোচ্ছিল উমরদের পরিকল্পনা।
গ্রেফতারদের জেরা করে জানা হচ্ছে, কোন কোন জায়গাকে টার্গেট করা হয়েছিল এবং কতটা অগ্রগতি হয়েছিল বিস্ফোরণের ছকে। গোয়েন্দাদের মতে, সময়মতো এই দলটি ধরা না পড়লে বড় বিপদ নেমে আসতে পারত দেশে।


