‘হস্তক্ষেপ’ কমিশনের। তৃণমূলের জবাব “এ হৃদয় দফতর পাল্টাচ্ছে না”

Spread the love

রাজ্য প্রশাসন এবং পুলিশে ‘হস্তক্ষেপ’ কমিশনের। তৃণমূলের জবাব “এ হৃদয় দফতর পাল্টাচ্ছে না

 

নিজস্ব প্রতিবেদন: রবিবার বিকেলে ভোট ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। ভোট ঘোষণার ৮ ঘণ্টার মধ্যেই রাজ্য প্রশাসন এবং পুলিশেরাজ্যের সর্বোচ্চ প্রশাসনিক পদে বদল করেছে নির্বাচন কমিশন। স্বরাষ্ট্রসচিব জগদীশ প্রসাদ মিনার জায়গায় নিয়োগ করা হয়েছে আইএএস সংঘমিত্রা ঘোষকে। মুখ্যসচিব পদে নন্দিনী চক্রবর্তীকে সরিয়ে আনা হয়েছে দুষ্মন্ত নারিয়ালাকে।

এই দুই পদে রদবদলের পরেই পুলিশ প্রশাসনে বড়সর রদবদল করেছে নির্বাচন কমিশন। সরানো হয়েছে ডিজি পীযূষ পাণ্ডেকে। তাঁর জায়গায় এসেছেন সিদ্ধীনাথ গুপ্তা। বদল হয়েছে এডিজি আইনশৃঙ্খলা পদেও। বিনীত গোয়েলকে সরিয়ে আনা হয়েছে অজয় রানাদে। কলকাতার পুলিশ কমিশনার সুপ্রতিম সরকারকে বদলে আনা হয়েছে অজয় নন্দাকে।

এ নিয়ে শুরু হয়ে গিয়েছে রাজনৈতিক তরজা। বিজেপির শমীক ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, “পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল আসন এবং তৃণমূল মিলেমিশে একাকার হয়ে গেছে। ভয় মুক্ত নির্বাচন করার জন্য এই পদক্ষেপ।” দিলীপ ঘোষ বলেছেন, “রাজ্যে এসআইআর চলাকালীন আমরা সবাই দেখেছি শুনানি কেন্দ্রে হিংসা হয়েছে মারপিট হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরেও ডিজি, আইজিরা SIR কেন্দ্রে , BLO দের যথাযথ সুরক্ষা দেয়নি এবং নির্বাচন কমিশনকে কাজে কোনরকম সহযোগিতা করেনি।

যাতে সুষ্ঠুভাবে এবং স্বচ্ছভাবে ভোট করানো যায় তাই নির্বাচন কমিশন স্বরাষ্ট্রসচিব, মুখ্যসচিব, রাজ্যের ডিজিপি, এডিজি আইনশৃঙ্খলা এবং কলকাতা পুলিশের সিপিকে বদলাতে বাধ্য হয়েছে কমিশন।”

তৃণমূলের দাবি, “যত খোঁচাবেন তত ভোট বাড়বে। ইয়ে ডর হমে আচ্ছা লগা। বাংলার মানুষের মনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এ হৃদয় দপ্তর পাল্টাচ্ছে না। ভোট ঘোষণার পরেও মুখ্যমন্ত্রী থাকবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।”


Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *