লোকসভা নির্বাচনের পর তৃণমূল ছেড়ে গঠিত ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়া (এনসিপিআই)-র সাংসদদের আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানাল এনডিএ। মঙ্গলবার সংসদে আয়োজিত ‘মঙ্গল মিলন’ কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের উপস্থিতিতে এনডিএ-র বৈঠকে অংশ নেন এনসিপিআই-র সাংসদরা।
বৈঠকে প্রথম সারিতে প্রধানমন্ত্রী, অমিত শাহ ও রাজনাথ সিংয়ের সঙ্গে বসতে দেখা যায় বারাসতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে। দ্বিতীয় সারিতে ছিলেন শতাব্দী রায়, রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়, জুন মালিয়া, সায়নী ঘোষ, শর্মিলা সরকার-সহ দলের অন্য সাংসদরা। বৈঠকে তাঁদের নাম ধরে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয় এনডিএ-র নতুন শরিক হিসেবে। পরে প্রধানমন্ত্রী মোদি প্রত্যেক সাংসদের সঙ্গে পৃথকভাবে কথা বলেন বলেও জানা গিয়েছে।
এই বৈঠকের মাধ্যমে স্পষ্ট হয়ে গেল, আপাতত বিজেপিতে একীভূত হচ্ছে না এনসিপিআই। বরং এনডিএ-র শরিক দল হিসেবেই তারা নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থান বজায় রাখছে। বৈঠক শেষে জুন মালিয়া, শতাব্দী রায় ও শর্মিলা সরকাররা জানান, এনডিএ-র বৈঠকের শৃঙ্খলা ও পরিচালনায় তাঁরা মুগ্ধ, এমন অভিজ্ঞতা তাঁদের আগে হয়নি।
প্রসঙ্গত, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর তৃণমূলের একাধিক সাংসদ দল ছেড়ে এনসিপিআই-তে যোগ দেন। বর্তমানে ২০ জন সাংসদ এনসিপিআই-র ব্যানারে এনডিএ-কে সমর্থন করছেন। বাদল অধিবেশনে লোকসভায় তাঁদের জন্য আলাদা আসনের ব্যবস্থাও করা হয়েছে। মঙ্গলবারের ‘মঙ্গল মিলন’ বৈঠকের মাধ্যমে সেই রাজনৈতিক সমীকরণে আনুষ্ঠানিক সিলমোহর পড়ল।


