মুম্বইয়ের স্লাম রিহ্যাবিলিটেশন অথরিটি (SRA)-র একটি অনুষ্ঠানে হাজির হয়েছিলেন বলিউড সুপারস্টার সালমান খান। নতুন আইটি সার্ভার রুমের উদ্বোধনের পাশাপাশি পুনর্বাসিত একাধিক পরিবারের হাতে নতুন বাড়ির চাবিও তুলে দেন তিনি। অনুষ্ঠানটি ছিল সম্পূর্ণ ইতিবাচক আবহে। কিন্তু সেই অনুষ্ঠান থেকেই প্রকাশ্যে আসা একটি ভিডিও মুহূর্তে বদলে দেয় চর্চার কেন্দ্রবিন্দু।
ভাইরাল হওয়া ক্লোজ-আপ ভিডিওতে সালমান খানকে অনেকের কাছেই স্বাভাবিকের তুলনায় ক্লান্ত ও দুর্বল দেখিয়েছে। ভিড়ের মধ্যে দেহরক্ষী শেরার নিরাপত্তায় এগিয়ে যাচ্ছিলেন অভিনেতা। ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়তেই সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয় জল্পনা। অনেকেই প্রশ্ন তোলেন, ৫৯ বছরের তারকা কি ফের কোনও শারীরিক সমস্যায় ভুগছেন? কেউ লিখেছেন, “সালমানকে খুব অসুস্থ লাগছে”, আবার কারও মন্তব্য, “এ কি সত্যিই সালমান?”
এই জল্পনার মধ্যেই সামনে এসেছে সালমানের বহু বছরের পুরনো অসুস্থতার প্রসঙ্গ। অভিনেতা নিজেই অতীতে জানিয়েছিলেন, তিনি ট্রাইজেমিনাল নিউরালজিয়া নামে বিরল ও অত্যন্ত যন্ত্রণাদায়ক স্নায়ুরোগে আক্রান্ত ছিলেন। মুখের এক পাশে হঠাৎ তীব্র বৈদ্যুতিক শকের মতো ব্যথা হয় এই রোগে। খাওয়া, কথা বলা, এমনকি মুখে সামান্য স্পর্শও অসহনীয় যন্ত্রণা তৈরি করতে পারে। তীব্র ব্যথার কারণেই এই রোগকে অনেক সময় ‘সুইসাইড ডিজিজ’ বলেও উল্লেখ করা হয়।
এক সাক্ষাৎকারে সালমান জানান, ২০০৭ সালে ‘পার্টনার’ ছবির শুটিং চলাকালীন প্রথম এই সমস্যার লক্ষণ দেখা দেয়। প্রায় সাড়ে সাত বছর ধরে তিনি অসহ্য যন্ত্রণার সঙ্গে লড়েছেন। দিনে ৭৫০ মিলিগ্রাম পর্যন্ত পেইনকিলার খেলেও খুব একটা উপশম মিলত না। পরে চিকিৎসকদের পরামর্শে গামা নাইফ সার্জারি করানোর পর তাঁর ব্যথা সম্পূর্ণ সেরে যায় বলে জানান অভিনেতা।


