চলচ্চিত্র শুধু বিনোদনের মাধ্যম নয়, সময়ের সঙ্গে সমাজের কথাও বলে। নন্দন-২ প্রেক্ষাগৃহে ‘লক্ষ্মী এল ঘরে’-এর ডিরেক্টরস কাট প্রিভিউতে অংশ নিয়ে সেই কথাই আবারও সামনে এল। সমাজের বাস্তব ছবি তুলে ধরার ক্ষেত্রে সিনেমার ভূমিকা কতটা গুরুত্বপূর্ণ, তা এই ছবির মধ্য দিয়েই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
বর্তমান সময়ে সামাজিক বার্তা পৌঁছে দেওয়ার অন্যতম শক্তিশালী মাধ্যম হয়ে উঠেছে চলচ্চিত্র। ‘লক্ষ্মী এল ঘরে’ ছবির গল্পে ফুটে উঠেছে বাংলার নারীদের দৈনন্দিন জীবন, তাঁদের লড়াই এবং আত্মনির্ভরতার পথে এগিয়ে যাওয়ার গল্প। পর্দার কাহিনি যেন বাস্তব জীবনের প্রতিচ্ছবি, যেখানে নারীরা ধীরে ধীরে নিজেদের অধিকার ও সম্মানের জায়গা তৈরি করছেন।
বাংলার নারীদের স্বনির্ভর করে তুলতে রাজ্য সরকারের একাধিক প্রকল্প ইতিমধ্যেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে। ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ ও ‘কন্যাশ্রী’র মতো উদ্যোগ নারীদের আর্থিক নিরাপত্তার পাশাপাশি আত্মবিশ্বাসও বাড়িয়েছে। একই সঙ্গে ‘আনন্দধারা’, ‘সবুজ সাথী’, ‘বাংলার বাড়ি’ ও ‘স্বাস্থ্য সাথী’র মতো প্রকল্পগুলি সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে সহায়ক হয়েছে।
কেন্দ্র সরকারের কাছ থেকে প্রাপ্য ১.৯৬ লক্ষ কোটি টাকা এখনও আটকে থাকলেও, মা-মাটি-মানুষের সরকার মানুষের পাশে দাঁড়াতে পিছপা হয়নি—এই বার্তাও ছবির প্রসঙ্গ ধরে উঠে আসে। সব মিলিয়ে ‘লক্ষ্মী এল ঘরে’ শুধু একটি ছবি নয়, বরং বাংলার নারীদের বাস্তব জীবন, স্বপ্ন ও সংগ্রামের এক শক্তিশালী দলিল হিসেবেই দর্শকের মনে জায়গা করে নিচ্ছে।
নন্দনে ‘লক্ষ্মী এল ঘরে’র প্রিভিউ, পর্দায় ফুটে উঠল বাংলার নারীদের স্বনির্ভরতার গল্প


