রাজ্যে ক্ষমতার পালাবদলের পর থেকেই একের পর এক বিতর্ক ও প্রশাসনিক চাপে নাম জড়াচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। আদালতে উস্কানিমূলক মন্তব্য নিয়ে মামলা থেকে শুরু করে সম্পত্তি সংক্রান্ত তদন্ত— সব মিলিয়ে রাজনৈতিক মহলে এখন চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে অভিষেক।
গত সোমবার কলকাতা পুরসভার তরফে কালীঘাট রোড ও হরিশ মুখার্জি রোডের দুটি ঠিকানায় নোটিস পাঠানো হয়। অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট বাড়িগুলিতে অতিরিক্ত নির্মাণ করা হয়ে থাকলে তার অনুমোদন ছিল কি না, সেই তথ্য জানতে চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি শান্তিনিকেতনের একটি অংশ ভাঙার নির্দেশ ঘিরেও নতুন করে বিতর্ক দানা বেঁধেছে। প্রশাসনিক সূত্রে খবর, অভিষেকের সঙ্গে যুক্ত একাধিক সম্পত্তিও এখন নজরদারির আওতায়।
এই আবহেই বৃহস্পতিবার কালীঘাটে পুরসভার কাউন্সিলরদের সঙ্গে বৈঠক সেরে বেরোনোর সময় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন অভিষেক। তাঁর বাড়ির তথাকথিত অবৈধ নির্মাণ নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই দৃশ্যত বিরক্ত হয়ে পড়েন তিনি। সাংবাদিকদের উদ্দেশে আঙুল তুলে কড়া সুরে বলেন, “আগে নির্দিষ্ট করে বলুন বাড়ির কোন অংশটা অবৈধ। তারপর প্রশ্ন করুন, আমি উত্তর দেব।”
অভিষেকের এই প্রতিক্রিয়ার ভিডিও ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে। বিরোধীদের দাবি, প্রশাসনিক তদন্তের চাপেই ক্রমশ আক্রমণাত্মক হয়ে উঠছে তৃণমূল নেতৃত্ব। যদিও ঘাসফুল শিবিরের বক্তব্য, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবেই অভিষেককে নিশানা করা হচ্ছে।


