মেরে দুই হাত ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ উঠল ইসলামপুর থানার এক সিভিক ভলান্টিয়ারের বিরুদ্ধে। শুক্রবার দুপুরে বিচার চেয়ে ইসলামপুর থানায় হাজির আক্রান্ত যুবকের মা ও গ্রামবাসীরা। আক্রান্ত যুবক বিহারের পূর্ণিয়ায় এক বেসরকারি নার্সিংহোমে চিকিৎসাধীন। আক্রান্ত যুবকের নাম কার্তিক দাস। বাড়ি ইসলামপুর থানার দারিভিটের শ্যামনগর এলাকায়।
ঘটনাটি ঘটেছে সপ্তমীর দিন সন্ধ্যায় ইসলামপুর শহরের দেশবন্ধু পাড়া এলাকায়। পরিবার সূত্রে জানা গেছে কার্তিক দাস নামে আক্রান্ত ওই যুবক দেশবন্ধু পাড়ায় ভাড়া বাড়িতে থেকে পড়াশোনা করতো। অভিযোগ দেশবন্ধু পাড়া বাসিন্দা হরে কৃষ্ণ দাস নামে এক সিভিক ভলান্টিয়ার ওই যুবককে বাটাম দিয়ে বেধড়ক মারধর করে তার দুটো হাত ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এরপর পরিবারে লোকজন জানতে পেরে আক্রান্ত যুবককে প্রথমে ইসলামপুর মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয় চিকিৎসার জন্য এরপর তার উন্নত চিকিৎসার জন্য বিহারের পূর্ণিয়ায় এক বেসরকারি নার্সিংহোমে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এই ঘটনাটি জানাজানি হতে শুক্রবার দুপুরে বিচারের দাবি চেয়ে আক্রান্ত যুবকের মা ও গ্রামবাসীরা মিলে ইসলামপুর থানায় উপস্থিত হন। যদিও এখনো পর্যন্ত ওই সিভিক ভলেন্টিয়ার এর বিরুদ্ধে পরিবারেরর তরফে কোন লিখিত অভিযোগ করেনি। অভিযোগ হলে সঠিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।
*ঘটনার সূত্রপাত, ওই সিভিক ভলেন্টিয়ার এর স্ত্রী তার বাবার বাড়িতে ফোন করার নাম করে আক্রান্ত যুবকের কাছ থেকে মোবাইল ফোনটি নেন। মোবাইলে কথা বলতে দেখে হরেকৃষ্ণ দাস নামে ওই সিভিক ভলান্টিয়ার কার্তিক দাস নামে ওই যুবকের উপর চড়াও হয়। এরপর ওই সিভিক ভলান্টিয়ার তিন থেকে চার জন বন্ধুকে ডেকে বাটাম দিয়ে বেধরক মারধর করে ওই যুবকের হাত ভেঙ্গে দেওয়ার অভিযোগ উঠে। কোনক্রমে ওই যুবক সেখানে থেকে পালিয়ে নিজের ভাড়া বাড়িতে চলে যায়। এরপর পরিবারের লোকজন জানতে পেরে তাকে চিকিৎসার জন্য বিহারের পূর্ণিয়ায় এক বেসরকারি নার্সিংহোমে ভর্তি করে। এবং সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে আক্রান্ত যুবক কার্তিক দাস।


