বৈশাখের আগমনী সুর যেন এবার একটু আগেই বেজে উঠেছে অভিনেত্রী জয়া আহসান-এর ঘরে। পান্তা-ইলিশ, রকমারি পদ আর উৎসবের সাজে ভরে উঠেছে তাঁর বৈশাখী আয়োজন। নতুন বাংলা বছরের সূচনাকে তিনি স্বাগত জানিয়েছেন একেবারে ঘরোয়া উষ্ণতায়, ভালোবাসার স্পর্শে।
বাংলাদেশে ‘পহেলা বৈশাখ’ মানেই এক অনন্য আবেগ। আর সেই আবেগে ভেসেই চৈত্রের শেষ রাতে ঘরে মন টেকেনি জয়ার। রং-তুলি হাতে তিনি নেমে পড়েছেন ঢাকার রাজপথে, সাধারণ মানুষের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে। আলপনায় রাঙিয়েছেন শহরের পথঘাট, যেন নতুন সূচনার প্রতীক হয়ে উঠেছে প্রতিটি আঁচড়।
জয়ার কথায়, “ধর্মীয় উৎসবের বাইরে আমাদের সবচেয়ে বড় উৎসব এই নববর্ষ। পয়লা বৈশাখ আমাদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।” তাঁর এই বক্তব্যেই ধরা পড়ে বাংলাদেশের এই উৎসবের সার্বজনীনতা—যেখানে ভেদাভেদ নেই, আছে শুধু মিলনের সুর।
পাটভাঙা লালপাড় শাড়ি, গয়নায় সাজ, হাতে লাল চুড়ি—একেবারে ঐতিহ্যের ছোঁয়ায় সেজে উঠেছিলেন জয়া। কোমরে আঁচল গুঁজে, রাতভর আলপনা আঁকায় মেতে ওঠা—এই দৃশ্য যেন জীবন্ত করে তোলে বাঙালির চিরন্তন সংস্কৃতিকে। আট থেকে আশি—সব প্রজন্মের মানুষ যেখানে একসঙ্গে মিশে যায় রঙে, উৎসবে, আনন্দে।
সেই বিশেষ মুহূর্তগুলোই ক্যামেরাবন্দি করে অনুরাগীদের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন জয়া। তাঁর বার্তা স্পষ্ট—চৈত্রশেষ মানেই বিদায়ের রং নয়, বরং নতুন শুরুর প্রতিশ্রুতি।
দুই বাংলার অসংখ্য ভক্তকে তিনি জানালেন নববর্ষের শুভেচ্ছা—একতার, ভালোবাসার আর নতুন স্বপ্ন দেখার আহ্বান নিয়ে।


