বলিউডের ‘হি-ম্যান’ ধর্মেন্দ্র আর নেই। তাঁর মৃত্যুর পর কেটে গিয়েছে বেশ কিছুটা সময়। কিন্তু সেই শূন্যতা এখনও ভরাট হয়নি হেমা মালিনীর জীবনে। দীর্ঘদিনের জীবনসঙ্গী, সহযোদ্ধা এবং বলিউডের এক অবিচ্ছেদ্য অধ্যায়কে হারানোর যন্ত্রণা আজও গভীরভাবে ছুঁয়ে আছে তাঁর কণ্ঠে, তাঁর কথায়। সেই আবেগই আরও স্পষ্ট হয়ে উঠল ধর্মেন্দ্রর নামে পদ্মসম্মান ঘোষণার পর।
ভারতীয় সিনেমায় ছয় দশকেরও বেশি সময় ধরে অবদান রাখা ধর্মেন্দ্রকে জাতীয় সম্মানে ভূষিত করার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানালেও, হেমা মালিনী আক্ষেপ লুকোননি। তাঁর কথায়, এই সম্মান বহু আগেই প্রাপ্য ছিল ধর্মেন্দ্রর। জীবদ্দশায় সেই স্বীকৃতি পেলে স্বামীর মুখে যে হাসিটা দেখতেন, আজ তা আর দেখার সুযোগ নেই—এই কথাই যেন ঘুরে ফিরে উঠে এল তাঁর বক্তব্যে।
হেমা মালিনী বলেন, ধর্মেন্দ্র কখনও পুরস্কার বা স্বীকৃতির জন্য কাজ করেননি। সিনেমাই ছিল তাঁর ধ্যান-জ্ঞান। কিন্তু দেশের সর্বোচ্চ সম্মানগুলির একটি যখন মৃত্যুর পরে আসে, তখন গর্বের সঙ্গে সঙ্গে বেদনার রংও গাঢ় হয়ে ওঠে। স্বামীর কৃতিত্বে গর্বিত হলেও, দেরিতে পাওয়া এই স্বীকৃতি তাঁর মনে একরাশ প্রশ্ন আর না-পাওয়ার কষ্ট রেখে গিয়েছে।
বলিউডে ধর্মেন্দ্র-হেমা মালিনী শুধু একটি জুটি নয়, এক আবেগের নাম। তাঁদের সম্পর্ক, সংগ্রাম ও ভালোবাসা বহু প্রজন্মের কাছে অনুপ্রেরণা। আজ ধর্মেন্দ্র নেই, কিন্তু তাঁর কাজ, তাঁর স্মৃতি আর তাঁর প্রতি মানুষের ভালোবাসাই প্রমাণ করে দেয়—তিনি কখনওই শুধু একজন অভিনেতা ছিলেন না, ছিলেন ভারতীয় সিনেমার এক অমর অধ্যায়।
আজ আর তিনি নেই, তবু এল পদ্মসম্মান—ধর্মেন্দ্রকে নিয়ে আবেগে ভাসলেন হেমা মালিনী


