ঘটনার সূত্রপাত জিবি মিটিংকে কেন্দ্র করে। বুধবার যাদবপুরে মিটিং ডাকে এসএফআই এবং ডি এসও। এবিভিপির দাবি, তারা প্রতিবাদ জানাতে গেলে প্রায় ৫০ জন মতো তাদের উপর চড়াও হয়। এবিভিপি-র যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি নিখিল দাস-সহ একাধিক পড়ুয়া আহত হন বলে অভিযোগ। রাতেই তাদেরকে কেপিসি মেডিকেলে ভর্তি করা হয়। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছন যাদবপুর বিধানসভার বিধায়ক শর্বরী মুখার্জি।
রাত যত গড়ায় ততই উত্তেজনা বাড়তে থাকে যাদবপুর চত্বরে। এবিপি এবং বিজেপির তরফে যাদবপুর থানার সামনে পথ আটকে বিক্ষোভ দেখানো হয়। পালটা এসএফআইয়ের দাবি, আরএসএস-এবিভিপি এবং বিজেপি ক্যাম্পাসে ঢুকে তাণ্ডব চালিয়েছে। অরবিন্দ ভবনে আটকে রাখা হয়েছে পড়ুয়াদের। এবিভিপির রাজ্য মিডিয়া ইনচার্জ অনন্ত বারুইয়ের বক্তব্য, রাতের অন্ধকারে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকে পোস্টার ব্যানার এবং অসভ্যতামি ও নোংরামি করছে এসএফআই এবং বিভিন্ন বাম ছাত্র সংগঠন। তারা পুরো বিষয়টি তারা অন্যদিকে ঘুরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। এখানে এক পক্ষ বামেদের রয়েছে যারা ক্যাম্পাসে ঢুকে অশান্তি করছে এবং এবিভিপির নাম বদনাম করার চেষ্টা চালাচ্ছে।
এই বিষয়ে হাসপাতাল থেকে কী বললেন এবিভিপির আক্রান্ত ছাত্রনেতা? শুনুন ভিডিওতে


