রানাঘাটের রেল যাত্রীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। রানাঘাটের সাসদ জগন্নাথ সরকার এবং শিয়ালদহ ডিভিশনের অতিরিক্ত ডিভিশনাল রেলওয়ে ম্যানেজার শ্রী রাজেশ কুমার, সিনিয়র ডিভিশনাল ইঞ্জিনিয়ার শ্রী কে.পি. দেব এবং অন্যান্য কর্মকর্তাদের মধ্যে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় রানাঘাট ইয়ার্ড পুনর্গঠন, স্টেশন আধুনিকীকরণ, কল্যাণী-রাণাঘাট তৃতীয় লাইন প্রকল্প এবং উচ্চাভিলাষী “অমৃত ভারত প্রকল্প” কার্যকর করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে সূত্রের খবর
স্টেশন এবং সাকুলেটিং এলাকার আশেপাশে থাকা অবৈধ দখল অপসারণের জরুরি প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেওয়া হয়, যা উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রধান বাধা হিসাবে চিহ্নিত হয়েছে। সাংসদ শিয়ালদহ ডিভিশনকে আশ্বাস দিয়েছেন যে তিনি এই দখলদার অপসারণের জন্য দ্রুত পদক্ষেপ নেবেন।
এখাড়াও আধুনিক এস্কেলেটর এবং লিফট স্থাপন, আরামদায়ক প্রতীক্ষালয়-বিশ্রাম কক্ষ, ডরমেটরি এবং একটি ফুড কোর্ট, নতুন টিকিট বুকিং কাউন্টার, যাত্রী সংরক্ষণ ব্যবস্থা কক্ষ এবং স্বয়ংক্রিয় টিকিট ভেন্ডিং মেশিন
প্ল্যাটফর্ম ১ ও ২ সম্প্রসারণ করা হবে। যাতে আরও বেশি যাত্রী এবং দীর্ঘ ট্রেনের ব্যবস্থা করা যায়।
দুটি নতুন ফুটওভার ব্রিজ, লিফটসহ, এবং একটি স্কাইওয়াক যা প্ল্যাটফর্মগুলোর মধ্যে সংযোগ সহজ করবে
একটি ভিআইপি প্রতীক্ষালয়, এক্সিকিউটিভ লাউঞ্জ এবং ‘ওয়ান স্টেশন, ওয়ান প্রোডাক্ট’ উদ্যোগের অধীনে স্থানীয় পণ্য প্রদর্শনের জন্য বিশেষ জায়গা
জগন্নাথ সরকার জানান, “এই স্টেশন উন্নয়ন প্রকল্প শুধু রেল পরিকাঠামোর উন্নতি করবে না, বরং স্থানীয় অর্থনীতিকেও শক্তিশালী করবে। পাশাপাশি রানাঘাটের সংযোগ উন্নত করবে।”
শিয়ালদহ ডিভিশনের ডিভিশনাল রেলওয়ে ম্যানেজার শ্রী দীপক নিগম বলেন, “আমরা সকলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছি, যাতে রানাঘাট স্টেশনের উন্নয়ন নির্বিঘ্নে এবং দক্ষতার সাথে করা সম্ভব হয়।”


