আরজিকর কাণ্ডে সঞ্জয় রাইকে একমাত্র দোষী সাব্যস্ত করা হলেও এড়িয়ে যাওয়া যাচ্ছে না বেশ কিছু প্রশ্ন। অন্তত মেডিকেল সায়েন্স একাধিক প্রশ্নের সামনে দাঁড় করাচ্ছে তদন্ত প্রক্রিয়াকে। আগেই পুলিশ এবং সিবিআই তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন নিহত চিকিৎসকের বাবা-মা। এবার এক নজরে দেখে নেওয়া যাক, কী কী প্রশ্নের উত্তর পাওয়া বাকি রইল আরজিকর কাণ্ডে। এক নজরে বিচারক অনির্বাণ দাসের রায়ের প্রতিলিপি।
- স্তন বৃন্ত থেকে প্রাপ্ত নমুনার মধ্যে একজন মহিলার ডিএনএর উপস্থিতি পাওয়া গেছে। তিনি কে?
- নিহত চিকিৎসকের যৌনাঙ্গে ধর্ষকের বীর্য মেলেনি।
- দেহ উদ্ধারের পর ঘটনাকে গুরুত্ব দেয়নি টালা থানা
লালবাজারে তদন্তকারী আধিকারিক রুপালি মুখোপাধ্যায় তদন্তে ব্যর্থ, তাঁর কাজে ত্রুটি রয়েছে - থানায় জিডিতে বেআইনিভাবে তথ্য-নতিবদ্ধ করেছেন এস আই সুব্রত চট্টোপাধ্যায়। একই কাজ করেছেন এসআই সৌরভ কুমার ঝা। কারো নির্দেশে এই কাজ করেছিলেন সুব্রত কিন্তু কার নির্দেশে তা জানা যায়নি।
- সিবিআই এর তদন্তকারী অফিসার্স সীমা পাহুজা তদন্তের সঠিক অগ্রগতি করেননি। কলকাতা পুলিশের তথ্যই বিশ্লেষণ করে সাজিয়ে পেশ করেছেন।
- ময়নাতদন্তের নমুনা সংগ্রহে ত্রুটিপূর্ণ পদ্ধতির ব্যবহার
এমনকী, আরজি কর হাসপাতালের কর্তৃপক্ষের আচরণ দেখলে মনে হয় তারা কিছু ধামাচাপার দেওয়ার চেষ্টা করছেন। - কলকাতা পুলিশ এবং সিবিআই নিজেদের তদন্তে হাসপাতালের গাফিলতি সম্পর্কে কিছুই বলেনি
- নিজেদের দায় ছাড়তে ঘটনাকে আত্মহত্যা বলে প্রমাণের চেষ্টাও করা হয়েছিল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তরফে
- ধর্ষণ এবং খুন হয়েছে বুঝতে পেরেও হাসপাতালে তৎকালীন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ এবং হাসপাতালের সুপার পুলিশকে জানাননি
এতগুলো তথ্য উঠে এসেছে শিয়ালদা কোর্টের বিচারকের রায়ের প্রতিলিপিতে। এগুলোর উত্তর এবং বিস্তারিত আদৌ কি কোনওদিন সামনে আসবে? এক না একাধিক, আর জি কর কাণ্ডে কে বা কারা রয়েছে তার উত্তর কি কোনদিন পাওয়া যাবে? প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে


