নারী নির্যাতন ও ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত একাধিক বিজেপি নেতাকে বাঁচাতে কেন্দ্র ইচ্ছাকৃতভাবে ‘অপরাজিতা’ বিল আটকে দিয়েছে — এমনই বিস্ফোরক অভিযোগ করল তৃণমূল কংগ্রেস। রাজ্য সরকারের প্রস্তাবিত এই বিলে ধর্ষণ ও নারীর প্রতি সহিংসতায় মৃত্যুদণ্ডের মতো কঠোর শাস্তির কথা বলা হয়েছিল।
তৃণমূলের দাবি, বিজেপি নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয়, প্রদীপ জোশী ও কার্তিক মহারাজের বিরুদ্ধে দলের মহিলাদের ধর্ষণ ও শ্লীলতাহানির গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। তাই এই বিল আইনে পরিণত হলে তাঁরা সবাই কঠোর শাস্তির মুখে পড়তেন।
তৃণমূল আরও অভিযোগ করেছে, আর জি কর হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিশেষ অধিবেশনে এই বিলটি বিধানসভায় পাশ করান। কিন্তু কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক এটিকে “অতিরিক্ত কঠোর শাস্তি” বলে আপত্তি তোলে এবং রাষ্ট্রপতির অনুমোদন আটকে যায়। পরে রাষ্ট্রপতির নির্দেশে রাজ্যপাল বিলটি রাজ্য সরকারে ফেরত পাঠান।
এ নিয়ে তৃণমূল কেন্দ্রের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে এবং বলেছে, গেরুয়া শিবির নিজেদের নেতাদের বাঁচাতেই এই পদক্ষেপ করেছে।


