পারিবারিক অশান্তির জেরে গৃহবধূকে খুনের অভিযোগ উঠল শ্বশুর বাড়ির বিরুদ্ধে। ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়ায়, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছে দীর্ঘক্ষণ পর মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তে পাঠায় । জানাযায় এই ঘটনার পর থেকেই মৃতের শ্বশুরবাড়ির লোকেরা সকলেই পলাতক।*পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা চন্দ্রকোনা ১ নম্বর ব্লকের শোলা গ্রামের ঘটনা। শোলা গ্রামের বাসিন্দা দীপাঞ্জন রায় পেশায় গৃহ শিক্ষক এক বছর আগে বিয়ে হয় চন্দ্রকোনার বাসুলিয়া গ্রামের সুষমা রায়(১৯)এর সাথে। দিপাঞ্জনের বাড়ি থেকে সুষমার মৃতদেহ উদ্ধার হয়। সুষমার বাবা সুশান্ত ঘোষ মা সোনালী ঘোষের দাবি আজ দুপুর নাগাদ তারা খবর পায় তাদের মেয়ে আত্মহত্যা করেছে। খবর পাওয়ার পরেই তারা মেয়ের বাড়িতে হাজির হয়ে দেখেন মেয়ের শরীরে রয়েছে একাধিক আঘাতের চিহ্ন গলায় ফাঁস লাগানোর দাগ, এতেই তাদের দাবি তাদের মেয়েকে খুন করেছে দীপাঞ্জন ও তার পরিবারের সদস্যরা। এই ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত পরিবারের সদস্যরা পলাতক। সঠিক তদন্ত ও অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তার দাবিতে মৃত দেহ আটকে রেখে মৃতের বাপের বাড়ির লোকেরা দাবি তোলেন । অপরদিকে মৃতের শ্বশুরবাড়ির লোকেরা সকলেই পলাতক। খবর পেয়ে চন্দ্রকোনা থানার পুলিশ গিয়ে মৃতদেহ উদ্ধার করে নিয়ে আসে, পুলিশ সূত্রে খবর মৃতদেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হচ্ছে এবং শ্বশুরবাড়ির লোকেদের সন্ধান চালাচ্ছে পুলিশ। তবে কি কারণে এই মৃত্যু সঠিক কারণ ময়না তদন্তেরপর জানা যাবে।


