সাধারণতন্ত্র দিবস মানেই নরেন্দ্র মোদির পোশাক-পরিচ্ছদ ঘিরে আলাদা কৌতূহল। সোমবার দিল্লির কর্তব্য পথে কুচকাওয়াজে উপস্থিত হয়ে সে কৌতূহল আরও উসকে দিল প্রধানমন্ত্রীর ঝলমলে পাগড়ি। গাঢ় নীল কুর্তা, সাদা চুড়িদারের সঙ্গে হালকা আকাশি নেহরু জ্যাকেট—সবকিছুর মধ্যমণি হয়ে উঠেছিল তাঁর রেশমের পাগড়িটি।
টাই অ্যান্ড ডাই করা বহুরঙা কাপড়ে সোনালি জড়ির কাজ, তার উপর মেরুন, বেগুনি, গোলাপি, সবুজ, সাদা, হলুদ ও নীলের পটভূমিতে সোনালি ময়ূরপালকের মোটিফ—নকশায় স্পষ্ট রাজস্থানের ছাপ। পাগড়ি পরার ভাঁজও ছিল যোধপুরি ঢঙে, যা নজর এড়ায়নি ফ্যাশন-বিশেষজ্ঞদের।
মোদির পাগড়ি-প্রীতি নতুন নয়। ২০১৪-র স্বাধীনতা দিবসে লাল কেল্লায় লাল পাগড়িতে তাঁর আত্মপ্রকাশ এখনও স্মরণীয়—সোনালি বিন্দুতে সাজানো সেই শিরোসজ্জা যেন নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীর আত্মবিশ্বাসের প্রতীক। ২০১৫-য় রঙ বদলে আসে—হলদে শেডে আড়াআড়ি ডোরার তুলনায় পাগড়ির মাপও ছিল ছোট।
গত চার বছর ধরে সাধারণতন্ত্র দিবসে প্রধানমন্ত্রীর শিরোসজ্জায় বারবার ফিরে এসেছে গুজরাত-রাজস্থান ঘরানা। একমাত্র ব্যতিক্রম ২০২২—সে বছর উত্তরাখণ্ডের টুপি পরেছিলেন তিনি। এ বছরের রাজস্থানি পাগড়ি আবারও দেখাল, উৎসবের মঞ্চে পোশাকের ভাষায় সাংস্কৃতিক বার্তা দিতে মোদি বরাবরের মতোই সচেতন।


