মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি আপাতত স্থগিত রাখছে ভারত। নতুন করে তদন্ত শুরু করায় কয়েক মাস পিছিয়ে যেতে পারে দিল্লি-ওয়াশিংটনের ট্রেড ডিল। সরকারি সূত্রের খবর, পরিস্থিতি বুঝে আপাতত ‘ওয়েট অ্যান্ড ওয়াচ’ নীতি নিয়েছে মোদী সরকার।
প্রথমে পরিকল্পনা ছিল মার্চ মাসেই একটি অন্তর্বর্তী চুক্তি সই করা হবে। এরপর ধাপে ধাপে পূর্ণাঙ্গ বাণিজ্য চুক্তির দিকে এগোবে দুই দেশ। ফেব্রুয়ারিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতের উপর আরোপ করা কঠোর শুল্ক কমাতে রাজি হন। তার বদলে রাশিয়ার তেল আমদানি কমানো, মার্কিন পণ্যের উপর শুল্ক হ্রাস এবং প্রায় ৫০০ বিলিয়ন ডলারের মার্কিন পণ্য কেনার মতো প্রতিশ্রুতির বিষয় উঠে আসে আলোচনায়।
কিন্তু ঠিক সেই সময়েই পরিস্থিতি ঘুরে যায়। ট্রাম্প প্রশাসন নতুন করে তদন্ত শুরু করেছে একাধিক বাণিজ্য অংশীদার দেশের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, উৎপাদন খাতে অনেক দেশের “অতিরিক্ত শিল্প ক্ষমতা” রয়েছে, যা বিশ্ব বাণিজ্যে ভারসাম্য নষ্ট করছে। এই তদন্তের আওতায় রয়েছে ভারতও।
ভারতের এক সরকারি সূত্র জানাচ্ছেন, “এই মুহূর্তে কোনও চুক্তি সই করার তাড়া নেই। নতুন তদন্ত আসলে চাপ তৈরি করার কৌশল। তাই পরিস্থিতি পরিষ্কার না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করাই ভালো।”
ফেব্রুয়ারির শেষে মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট ট্রাম্পের কিছু শুল্ক নীতি খারিজ করে দেওয়ার পর থেকেই আলোচনার গতি কমে যায়। এর পাশাপাশি ইরান যুদ্ধের মতো আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিও আলোচনায় প্রভাব ফেলেছে।
এদিকে রাশিয়ার তেল আমদানি পুরোপুরি বন্ধ করেনি ভারত। বরং কিছুটা কমিয়েছে মাত্র। কিন্তু ওয়াশিংটন এখন দিল্লিকে আবার তেল কেনা বাড়াতে বলছে, কারণ যুদ্ধের জেরে বিশ্ব জ্বালানি বাজারে চাপ তৈরি হয়েছে।
বর্তমানে ট্রাম্প প্রশাসন সব দেশের উপর ১০ শতাংশ আমদানি শুল্ক বসিয়েছে, যা জুলাই পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। এই পরিস্থিতিতে তাড়াহুড়ো করে চুক্তি না করে ভবিষ্যতের নীতি কী হয় তা দেখতেই চাইছে ভারত।
অন্যদিকে মার্কিন রাষ্ট্রদূত সের্গিও গোর জানি


