সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় তুলেছে নতুন নাম— ককরোচ জনতা পার্টি বা কেজেপি। কয়েকদিন আগেও যাদের অস্তিত্ব ছিল না জনমানসে, এখন তারাই জাতীয় রাজনীতির আলোচনায়। দেশের প্রধান বিচারপতির একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে প্রতিবাদের সুরে তৈরি হওয়া এই প্রতীকী রাজনৈতিক সংগঠন ইতিমধ্যেই ভাইরাল নেটদুনিয়ায়।
বৃহস্পতিবার আচমকাই খবর ছড়ায়, এক্স থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে কেজেপির অ্যাকাউন্ট। তাতেই শুরু হয় জোর বিতর্ক। তবে খুব বেশি সময় থেমে থাকেনি তারা। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই নতুন অ্যাকাউন্ট খুলে ফের সক্রিয় হয়ে ওঠে কেজেপি। আর তারপর থেকেই নতুন করে চর্চা— আদৌ কি নির্বাচন কমিশনের স্বীকৃতি পাবে এই দল?
সবচেয়ে বেশি কৌতূহল তৈরি হয়েছে দলের সম্ভাব্য প্রতীক ঘিরে। সোশ্যাল মিডিয়ায় কেউ বলছেন ‘মোবাইল’, কেউ আবার চাইছেন ‘আরশোলা’ই হোক দলের প্রতীক। সেই নিয়েই চলছে ট্রোল, মিম আর রাজনৈতিক খোঁচা।
যদিও নির্বাচন কমিশনের নিয়ম এতটা সহজ নয়। কোনও দলকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি পেতে হলে সাংগঠনিক কাঠামো, সদস্য সংখ্যা, ভোটে অংশগ্রহণ-সহ একাধিক মানদণ্ড পূরণ করতে হয়। প্রতীক নির্বাচনের ক্ষেত্রেও কমিশনের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। ফলে ‘আরশোলা’ শেষ পর্যন্ত ভোটের ময়দানে জায়গা পাবে কি না, তা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে।
তবে বাস্তব রাজনীতির বাইরে থেকেও কেজেপি এখন সোশ্যাল মিডিয়ার অন্যতম বড় সেনসেশন। প্রতিবাদ, ব্যঙ্গ আর ডিজিটাল ট্রেন্ড— তিনের মিশেলে তৈরি এই নতুন ‘রাজনৈতিক’ পরীক্ষাকে ঘিরে কৌতূহল বাড়ছেই।


