বিধানসভায় এখনও বিরোধী দলনেতার স্বীকৃতি ও নির্দিষ্ট ঘর না পাওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে তৃণমূলের অন্দরে। বুধবার সেই ক্ষোভ প্রকাশ্যে এল বিধানসভা ভবনেই। পরিষদীয় দলনেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে নিয়ে স্পিকারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন কুণাল ঘোষ। কিন্তু তাঁদের অভিযোগ, সাক্ষাতের সময়ই দেওয়া হয়নি। এরপরই স্পিকারের ঘরের বাইরে বসে প্রতিবাদ শুরু করেন দুই বিধায়ক।
তৃণমূলের দাবি, অষ্টাদশ বিধানসভার প্রথম অধিবেশন হয়ে গেলেও এখনও প্রধান বিরোধী দলের জন্য বরাদ্দ হয়নি কোনও ঘর। শুধু তাই নয়, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে আনুষ্ঠানিক ভাবে বিরোধী দলনেতার মর্যাদাও দেওয়া হয়নি। এই বিষয়টিকেই “অসৌজন্য” বলে কটাক্ষ করেন কুণাল ঘোষ।
বিধানসভার করিডরে দাঁড়িয়েই কুণালের ক্ষোভ উগরে পড়ে। তিনি বলেন, দীর্ঘ ৩৬ বছরের অভিজ্ঞ বিধায়ক শোভনদেবকে প্রাপ্য সম্মান দেওয়া হচ্ছে না। পরিষদীয় দলের বৈঠক পর্যন্ত করা যাচ্ছে না বলে অভিযোগ তোলেন তিনি। পাশাপাশি, স্পিকার ও মুখ্যমন্ত্রীর ঘর তৈরি হয়ে গেলেও বিরোধী দলের জন্য আলাদা ব্যবস্থা না হওয়া নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তৃণমূল বিধায়ক।
তৃণমূল সূত্রের দাবি, গত ১৩ মে স্পিকারের কাছে পাঠানো চিঠিতে ৮০ জন বিধায়কের সমর্থন-সহ শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে পরিষদীয় দলের নেতা হিসেবে জানানো হয়েছিল। কিন্তু এখনও পর্যন্ত সেই বিষয়ে কোনও সরকারি সিদ্ধান্ত হয়নি।
উল্লেখ্য, ২৯৪ আসনের বিধানসভায় বিরোধী দলের মর্যাদা পেতে প্রয়োজন কমপক্ষে ৩০ জন বিধায়কের সমর্থন। সেই সংখ্যার অনেকটাই বেশি সমর্থন নিজেদের পাশে রয়েছে বলেই দাবি তৃণমূলের। তাই গোটা বিষয়টিকে রাজনৈতিক গুরুত্ব দিয়েই দেখছে রাজ্যের প্রধান বিরোধী শিবির।


