ব্রিকসে বড় ধাক্কা পাকিস্তানের! দিল্লি ঘোষণাপত্রে একসুরে ‘শত্রু’ ইরান-আমিরশাহী, কূটনীতিতে বাজিমাত ভারতের

Spread the love

পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের আগুন ক্রমেই ছড়িয়ে পড়ছে। তার আঁচ শুধু ওই অঞ্চলে সীমাবদ্ধ নেই, প্রভাব পড়ছে গোটা বিশ্বের রাজনীতি ও অর্থনীতিতেও। এমন এক অস্থির পরিস্থিতির মধ্যেই ব্রিকসের মঞ্চে বড় কূটনৈতিক সাফল্য পেল ভারত। দীর্ঘ আলোচনার পর মতপার্থক্য সরিয়ে রেখে দিল্লি ঘোষণাপত্রে ঐকমত্যে পৌঁছল ব্রিকসের সদস্য দেশগুলি।

সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয়, সাম্প্রতিক সংঘাতের জেরে যাদের পারস্পরিক সম্পর্কে তীব্র টানাপড়েন তৈরি হয়েছিল, সেই ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহীও এবার একই ঘোষণাপত্রে একই অবস্থানে এল। ভারতের কূটনৈতিক তৎপরতার দিক থেকে এই ঐকমত্যকে যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।

ঘোষণাপত্রে যুদ্ধ ও সংঘাতের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সমস্যার সমাধানের বিরোধিতা করা হয়েছে। স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে, যুদ্ধ কখনও স্থায়ী সমাধানের পথ হতে পারে না। বরং সংঘাত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে এবং তার প্রভাব শেষ পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে গোটা বিশ্বে। আন্তর্জাতিক সমস্যার সমাধানে আলোচনা, কূটনৈতিক উদ্যোগ এবং পারস্পরিক বোঝাপড়ার উপরেই জোর দেওয়া হয়েছে।

শুধু যুদ্ধ নয়, সন্ত্রাসবাদ নিয়েও একসুরে অবস্থান নিয়েছে ব্রিকসের সদস্য দেশগুলি। জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে সম্মিলিতভাবে লড়াই করার বার্তা রয়েছে দিল্লি ঘোষণাপত্রে। যদিও সরাসরি কোনও দেশের নাম উল্লেখ করা হয়নি, তবুও কূটনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এই অবস্থানের মাধ্যমে পাকিস্তানের প্রতি পরোক্ষ বার্তা দেওয়া হয়েছে।

সব মিলিয়ে পশ্চিম এশিয়ার অস্থিরতার আবহে ব্রিকসের মঞ্চে এই ঐকমত্য ভারতের কূটনৈতিক গুরুত্বকে আরও একবার সামনে এনে দিল। শনিবার বিকেল ৪টে নাগাদ আনুষ্ঠানিকভাবে দিল্লি ঘোষণাপত্র প্রকাশ করার কথা রয়েছে।


Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *