ধর্মতলার রাস্তা থেকে গর্জে উঠলেন মুখ্যমন্ত্রী। কেন্দ্রের ‘স্বাস্থ্যবিষয়ক’ বিজ্ঞপ্তি নিয়ে স্পষ্ট কটাক্ষ করলেন প্রধানমন্ত্রীকে না ছুঁয়ে, কিন্তু তীর ছুড়লেন ঠিক নিশানায়। একবার না, দু’বার না— বারবার একই প্রশ্ন: “কে শিঙাড়া, জিলিপি, সামোশা খাবে— সেটা আপনি ঠিক করবেন?” প্রশ্ন ছুড়ে তৃণমূল নেত্রী বললেন, “খাওয়ার ওপরেও যদি ফতোয়া জারি হয়, তাহলে মানুষের স্বাধীনতা কোথায়?”
কেন্দ্রের নির্দেশিকা অনুযায়ী, স্কুল-কলেজে উচ্চ-চিনি ও উচ্চ-ফ্যাটযুক্ত খাবারের বিরুদ্ধে ‘সতর্কতামূলক বার্তা’ জারি হয়েছে। যদিও বিজ্ঞপ্তিতে বিক্রিতে সরাসরি নিষেধাজ্ঞা নেই, তবু তার ‘ইঙ্গিতময়তা’ নিয়েই উঠছে প্রশ্ন। মুখ্যমন্ত্রী সেটা ভালোভাবেই ধরেছেন— এবং জবাবও দিয়েছেন মঞ্চ থেকে।
তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, এই নির্দেশিকা মানবে না পশ্চিমবঙ্গ। তাঁর কণ্ঠে সংবিধানের ধ্বনি— “খাওয়া, পরা, ভাষা— এগুলো ব্যক্তিগত অধিকার। কেন্দ্রের অধিকার নেই, আমাদের সংস্কৃতিতে হস্তক্ষেপ করার।”
এই প্রসঙ্গে কুণাল ঘোষের মন্তব্যও শোনা যায়: “সিঙ্গাড়া খাওয়া বন্ধ হবে? তাহলে রসগোল্লাও কি কাল থেকে নিষিদ্ধ?”
রাজনৈতিক মহলে স্পষ্ট, এটা শুধুই খাদ্য নির্দেশিকা নিয়ে বিতর্ক নয়— বরং কেন্দ্র বনাম রাজ্যের এক নতুন সাংস্কৃতিক সংঘাত।
বাংলা জানিয়ে দিল, ফাইলের নোটে নয়— মানুষের রসনাতেও হস্তক্ষেপ চলবে না।


