মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প টানা চারবার ফোন করেছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে। কিন্তু সেসব কল রিসিভ করেননি মোদি। এমনটাই দাবি করেছে জার্মান সংবাদপত্র ফ্রাঙ্কফুর্টার অলজেমাইন।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতের অর্থনীতিকে ‘মৃত’ বলে কটাক্ষ করেছিলেন ট্রাম্প। সেই মন্তব্যের পরই মোদি তাঁর সঙ্গে সরাসরি কথা বলতে রাজি হননি। বরং ১০ আগস্ট প্রকাশ্য সভা থেকে প্রধানমন্ত্রী পাল্টা বার্তা দেন— ভারত ক্রমেই বিশ্বের প্রথম সারির অর্থনীতির মধ্যে জায়গা করে নিচ্ছে।
দু’দেশের মধ্যে বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসন জানিয়েছে, চুক্তি সম্ভব নয়। উল্টে ভারতের উপর ৫০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক চাপানো হয়েছে। অভিযোগ, রাশিয়া থেকে ভারত যে তেল কিনছে, তার অর্থে ইউক্রেন যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে মস্কো। তবে নয়াদিল্লি সাফ জানিয়েছে, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, চিন কিংবা আমেরিকাও রুশ তেল কিনছে। একমাত্র ভারতের উপর শুল্ক চাপানো তাই অন্যায়।
আহমেদাবাদের সভা থেকে মোদি স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দেন, “ভারতকে শুল্কের চাপে রাখা যাবে না। জাতীয় স্বার্থের প্রশ্নে আমরা মাথা নত করব না।” তিনি আশ্বাস দেন, দেশের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, পশুপালক ও কৃষকদের কোনও ক্ষতি হতে দেবে না সরকার।
ভারতের অবস্থান পরিষ্কার— যেখানে কম দামে তেল পাওয়া যাবে, সেখান থেকেই আমদানি হবে। মার্কিন চাপ সত্ত্বেও নয়াদিল্লি রাষ্ট্রীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিতেই দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।


