নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেপ্তার বড়ঞার তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহাকে শনিবার ব্যাঙ্কশাল আদালতে হাজির করানো হয়। আদালতে কেঁদে ফেলেন তিনি। তবে ছেলের প্রতি কঠোর অবস্থানেই অনড় তাঁর বাবা বিশ্বনাথ সাহা। বাবার দাবি, বিধায়ক হওয়ার পর জীবনকৃষ্ণ বেনামে বিপুল সম্পত্তি করেছে, তাই সে জেলেই থাকুক।
জীবনকৃষ্ণ আদালতে জানান, বাড়ি তৈরির জন্য বাবা তাঁকে ১ কোটি ২০ লক্ষ টাকা দিয়েছিলেন। তবে বিশ্বনাথবাবু সেই দাবি অস্বীকার করেন।
ইডির অভিযোগ জীবনকৃষ্ণ তদন্তে অসহযোগিতা করেছেন।
সিবিআইয়ের হাতে ধরা পড়া তাঁর দুই ফোন থেকে পাওয়া গেছে ১০৮টি অডিও ক্লিপ, যাতে চাকরিপ্রার্থীদের সঙ্গে কথোপকথন রয়েছে।
জীবনকৃষ্ণ ও পরিবারের একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ১ কোটি ২০ লক্ষ টাকার লেনদেন হয়েছে, যা নিয়োগ দুর্নীতির টাকা।
বিপুল অর্থ আলুর বন্ডে লগ্নি করে পরে বেনামে সম্পত্তি কেনা হয়েছে।
আদালতের রায় বিচারক কেস ডায়েরি দেখে ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জীবনকৃষ্ণকে জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন। সেদিন তাঁকে সশরীরে হাজির হওয়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
জীবনকৃষ্ণর বক্তব্য আদালত চত্বরে তিনি বলেন, “আমরা ব্যবসায়ী পরিবারের, টার্নওভার দু’কোটি টাকা। আমি প্রথম থেকেই ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত।”
“স্ত্রীর অ্যাকাউন্টে যে টাকা আছে, তা সাত বছরের।” ভাইরাল হওয়া ভিডিও প্রসঙ্গে তিনি দাবি করেন, “এটি পুরনো ও বাজে ভিডিও। গ্রেপ্তারের দিন মোবাইল আমি ছুড়িনি, পড়ে গিয়েছিল।”


