পাশে দাঁড়িয়ে সরব হলেন বিজেপি সাংসদ তথা অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাওয়াত। নাম না করেই তামিলনাড়ুর সাম্প্রতিক বিতর্কের প্রসঙ্গ তুলে কঙ্গনার তীব্র প্রশ্ন—কোনও সম্পর্কে দু’জন জড়িত থাকলেও কেন বারবার মহিলাকেই ‘চরিত্রহীন’ তকমা দেওয়া হয়?
কুল্লুতে জেলা উন্নয়ন সমন্বয় ও পর্যবেক্ষণ বৈঠকের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কঙ্গনা বলেন, ‘‘সফল মহিলা, অভিনেত্রী, রাজনীতিক কিংবা ক্ষমতাশালী পদে থাকা মহিলাদের নিচে নামাতে তাঁদের চরিত্রকেই নিশানা করা হয়।’’ তাঁর দাবি, এই প্রবণতা শুধু ভারতেই নয়, গোটা বিশ্বেই রয়েছে।
এরপরই তামিলনাড়ুর ঘটনাটির প্রসঙ্গ টেনে কঙ্গনা বলেন, এক ‘সম্মানিত শিল্পী ও অভিনেত্রী’কে এমন একটি ঘটনায় টেনে আনা হয়েছে, যেখানে সম্পর্কটি দু’পক্ষের মধ্যেই ছিল। কিন্তু অপমান, গালিগালাজ এবং চরিত্র হননের সময় নিশানায় এসেছেন শুধুই মহিলা।
প্রসঙ্গত, তৃষাকে ঘিরে বিতর্কের সূত্রপাত তামিলনাড়ুর এক রাজনৈতিক সভায়। সেখানে তৃষার নাম করে আপত্তিকর মন্তব্য করেন ডিএমকে নেতা উদয়নিধি স্ট্যালিন। মন্তব্য ঘিরে তীব্র বিতর্কের পর তাঁকে গ্রেফতারও করা হয়। পরে আদালতের হস্তক্ষেপে মুক্তি পান তিনি।
অন্যদিকে, তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের সঙ্গে তৃষার সম্পর্ক নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই জল্পনা চলছে। বিজয়ের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে তৃষার আবেগঘন উপস্থিতি সেই গুঞ্জন আরও বাড়িয়ে দেয়। তার উপর বিজয়ের স্ত্রী সঙ্গীতার বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন এবং পরে সেই মামলা এগিয়ে না নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত—সব মিলিয়ে জল্পনার পারদ আরও চড়েছে।
তবে যাবতীয় জল্পনা ও বিতর্কের মাঝেই কঙ্গনার এই মন্তব্য নতুন করে প্রশ্ন তুলে দিয়েছে—কোনও সম্পর্কের দায় কি শুধুই একজন মহিলার ঘাড়ে চাপিয়ে দেওয়া যায়?


