আস্থা ‘এম’ ফ্যাক্টরে, প্রথম দফার ভোটের পর তৃণমূলের আত্মবিশ্বাস তুঙ্গে

Spread the love

রাজ্যের প্রথম দফার ভোটের পর রাজনৈতিক তরজায় এখন কেন্দ্রবিন্দুতে আত্মবিশ্বাস বনাম আস্ফালনের লড়াই। শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস মনে করছে, মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ তাদের পক্ষেই গিয়েছে। অন্যদিকে ভারতীয় জনতা পার্টি-র নেতাদের আত্মবিশ্বাসকে তারা দেখছে অতিরঞ্জিত হিসেবেই।

২০২১ সালের অভিজ্ঞতা সামনে রেখেই এবারও নিজেদের অঙ্কে ভরসা রাখছে তৃণমূল। তখন যেমন শুভেন্দু অধিকারী-সহ বিজেপি নেতৃত্ব জয়ের ব্যাপারে নিশ্চিত ছিলেন, তেমনই এবারও একই ছবি। তবে শাসকদলের দাবি, বাস্তব পরিস্থিতি অনেকটাই আলাদা এবং ভোটের মাটিতে তার প্রতিফলন স্পষ্ট।

তৃণমূলের আত্মবিশ্বাসের মূল ভিত্তি সেই বহুল আলোচিত ‘এম ফ্যাক্টর’। এখানে ‘এম’ বলতে তারা বোঝাচ্ছে—মহিলা, মুসলিম এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে। প্রথম দফার ভোটে মহিলা ভোটারদের বিপুল উপস্থিতি শাসকদলের কাছে বড় ইতিবাচক সংকেত। সরকারি প্রকল্প যেমন লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, কন্যাশ্রী বা স্বাস্থ্য সাথীর মতো উদ্যোগের প্রভাব যে সরাসরি ভোটবাক্সে পড়বে, সে ব্যাপারে তারা যথেষ্ট আশাবাদী। ‘ঘরের মেয়ে’ ইমেজও এখানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিচ্ছে বলে মনে করছে দল।

অন্যদিকে সংখ্যালঘু ভোটও তৃণমূলের অন্যতম ভরসা। সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকায় ভালো ভোট পড়া এবং রাজনৈতিক বার্তার প্রভাব—দুই মিলিয়ে এই ভোটব্যাঙ্ক বড় অংশে নিজেদের দিকেই থাকবে বলে মনে করছে শাসক শিবির। যদিও কিছু ক্ষেত্রে বাম-কংগ্রেস বা অন্য ছোট শক্তির প্রভাবের কথা স্বীকার করা হচ্ছে, তবু সামগ্রিক চিত্রে তাতে বড় প্রভাব পড়বে না বলেই তাদের হিসেব।

সব মিলিয়ে, প্রথম দফার পর সংখ্যার অঙ্ক এখনও অনুমানের স্তরেই থাকলেও, আত্মবিশ্বাসের রাজনীতিতে তৃণমূল তাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে—মাঠের লড়াই যতই তীব্র হোক, ‘এম ফ্যাক্টর’-ই তাদের প্রধান ভরসা।


Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *