রাজনীতির অন্দরে অশান্তির আবহের মধ্যেই এবার ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও চর্চায় এল বিশ্বাস পরিবার। তৃণমূল কাউন্সিলর জুঁই বিশ্বাস জানিয়েছেন, স্বামী স্বরূপ বিশ্বাসের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক কার্যত শেষের পথে। ২০১৯ সাল থেকেই দু’জনে আলাদা থাকছেন বলে দাবি করেছেন তিনি। চলতি বছরের শুরু থেকে আইনি বিচ্ছেদের প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে।
জুঁইয়ের কথায়, দীর্ঘদিন ধরেই পারস্পরিক বোঝাপড়ার ভিত্তিতে আলাদা থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তাঁরা। বর্তমানে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন দুই পক্ষই। সব কিছু ঠিকঠাক এগোলে আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই আইনি বিচ্ছেদ সম্পূর্ণ হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।
ব্যক্তিগত প্রসঙ্গের পাশাপাশি রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও সরব হয়েছেন দক্ষিণ কলকাতার ৮১ নম্বর ওয়ার্ডের এই কাউন্সিলর। তাঁর দাবি, তৃণমূলের প্রথম দফার সরকার মানুষের জন্য কাজ করলেও পরবর্তী সময়ে ছবিটা বদলাতে শুরু করে। জুঁই বলেন, “ভালো কাজের পাশাপাশি এমন অনেক কিছু হতে থাকে যা আমি মেনে নিতে পারিনি। ধীরে ধীরে নিজেকে বিচ্ছিন্ন মনে হতো।”
বিশ্বাস পরিবারের পুত্রবধূ হিসেবে দীর্ঘদিন পরিচিত থাকলেও টলিউডের চাকচিক্য থেকে নিজেকে দূরেই রেখেছিলেন জুঁই। তাঁর বক্তব্য, স্বরূপ বিশ্বাসের টলিপাড়ায় প্রভাব বাড়ার সঙ্গে নানা অভিযোগও সামনে এসেছে। সেই সব খবর তাঁর কানেও পৌঁছেছে ঠিকই, তবে তিনি ব্যক্তিগতভাবে ওই জগতের সঙ্গে খুব একটা যুক্ত ছিলেন না।
জুঁই স্পষ্ট জানিয়েছেন, কোনও প্রিমিয়ার, পার্টি বা টলিউডের সামাজিক অনুষ্ঠানে তাঁকে সচরাচর দেখা যেত না। ফলে ইন্ডাস্ট্রির অন্দরমহলের বিষয়ে অন্যদের তুলনায় বেশি কিছু তাঁর জানা নেই বলেই দাবি করেন তিনি।


