খড়্গপুর গ্রামীণ বিধানসভার অন্তর্গত শিরোমণি গ্রাম পঞ্চায়েতের যমুনাবালি গ্রামে আজ আয়োজিত হল এক অনাড়ম্বর কিন্তু রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ চা-চক্র কর্মসূচি। স্থানীয় মানুষের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপনের লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়। চায়ের আড্ডার মধ্যেই উঠে আসে এলাকার নানা সমস্যা, উন্নয়নের দাবিদাওয়া এবং রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে মতামত।
এই কর্মসূচির কিছু মুহূর্ত সামাজিক মাধ্যমে ভাগ করে নিয়েছেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। তাঁর পোস্ট ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। গ্রামের সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে দলের কর্মী-সমর্থকদের উপস্থিতিতে চা-চক্রটি একপ্রকার জনসংযোগের মঞ্চে পরিণত হয়। দিলীপ ঘোষ স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন, তাঁদের অভাব-অভিযোগ শোনেন এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়েও ইঙ্গিত দেন।
গ্রামীণ রাজনীতিতে চা-চক্রের মতো ছোট পরিসরের কর্মসূচি যে ভোটের ময়দানে বড় প্রভাব ফেলতে পারে, তা এই আয়োজন থেকেই স্পষ্ট। যমুনাবালি গ্রামের এই চা-চক্র শুধুমাত্র একটি সামাজিক আড্ডা নয়, বরং রাজনৈতিক বার্তা পৌঁছে দেওয়ার এক কৌশল হিসেবেই দেখছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।
খড়্গপুর গ্রামীণে যমুনাবালি গ্রামে চা-চক্রে দিলীপ ঘোষ, জনসংযোগে রাজনৈতিক বার্তা


