মহারাষ্ট্রের কোলহাপুরে প্রয়াত শিক্ষাবিদ ও প্রাক্তন রাজ্যপাল ডি ওয়াই পাটিল। মঙ্গলবার ৯০ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তাঁর মৃত্যুতে রাজনৈতিক ও শিক্ষা মহলে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
২০০৯ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত ত্রিপুরার রাজ্যপাল ছিলেন ডি ওয়াই পাটিল। এরপর ২০১৩ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত বিহারের রাজ্যপালের দায়িত্ব সামলান তিনি। ২০১৪ সালে অল্প সময়ের জন্য পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপালের অতিরিক্ত দায়িত্বও পালন করেন।
১৯৯১ সালে পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত হন পাটিল। শিক্ষাক্ষেত্রে তাঁর অন্যতম বড় অবদান ডি ওয়াই পাটিল গ্রুপ প্রতিষ্ঠা। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এই গোষ্ঠীর অধীনে ১৫০টিরও বেশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। মুম্বই, নবি মুম্বই, পুণে ও কোলহাপুরে রয়েছে একাধিক ডিমড বিশ্ববিদ্যালয়ও।
১৯৩৫ সালের ২২ অক্টোবর কোলহাপুরে জন্ম ডি ওয়াই পাটিলের। মহারাষ্ট্রের বিধায়ক হিসেবে রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন তিনি। পরে শিক্ষা, সমাজসেবা ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে নিজেকে যুক্ত করেন। কংগ্রেসের সঙ্গে দীর্ঘদিন যুক্ত থাকার পর ২০১৮ সালে ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টিতে যোগ দেন।
তাঁর প্রয়াণে শোকপ্রকাশ করেছেন কংগ্রেস নেতা ড. নীতিন রাউত। এক্স-এ তিনি লেখেন, শিক্ষাক্ষেত্র একজন ‘দূরদর্শী স্থপতি’কে হারাল। শিক্ষা, সমাজসেবা ও জনজীবনে পাটিলের মৃত্যু ‘বিরাট ক্ষতি’ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহাও শোকপ্রকাশ করেছেন। ডি ওয়াই পাটিলকে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, প্রাক্তন রাজ্যপাল এবং দূরদর্শী প্রতিষ্ঠান নির্মাতা হিসেবে স্মরণ করে তাঁর শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও জনসেবায় অবদানের কথা তুলে ধরেন। তাঁর আত্মার শান্তি কামনা করেন মুখ্যমন্ত্রী।
ডি ওয়াই পাটিলের শেষকৃত্যের সময় ও স্থান এখনও জানা যায়নি।


