ECI-র সিদ্ধান্তে মমতা-রাহুলের বার্তা, বিজেপির বিরুদ্ধে একসঙ্গে লড়ার ঘোষণা

Spread the love

র্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত ঘিরে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ। তৃণমূল কংগ্রেসের নাম ও প্রতীক ব্যবহারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গোষ্ঠীর উপর নিষেধাজ্ঞার পরই তাঁর সঙ্গে ফোনে কথা বললেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। কথোপকথনের পর মমতা জানালেন, কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে কংগ্রেসের সঙ্গে একসঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত তাঁর দল।

মমতার কথায়, “আমরা একসঙ্গে আছি। বিজেপিকে সরাতে চাই।” একইসঙ্গে নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে কংগ্রেস প্রার্থীকে সমর্থনের ঘোষণা করেছেন তিনি। তৃণমূলের প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে মনোনয়ন প্রত্যাহার করায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

রাহুল গান্ধীও সরব হয়েছেন নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে। তাঁর অভিযোগ, শিবসেনা ও এনসিপির পর এবার তৃণমূলের ক্ষেত্রেও একই ধরনের ঘটনা ঘটছে—দল ভাঙা, তারপর নির্বাচনী প্রতীক কেড়ে নেওয়া। নির্বাচন কমিশনের সাংবিধানিক দায়িত্ব মানুষের রায়কে সুরক্ষিত রাখা বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।

বৃহস্পতিবারের অন্তর্বর্তী নির্দেশে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন গোষ্ঠী এবং রিতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিদ্রোহী গোষ্ঠী—দুই পক্ষকেই পুরনো তৃণমূল কংগ্রেসের নাম ও প্রতীক ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়।

শুক্রবার রিতব্রত গোষ্ঠীকে “ডেমোক্র্যাটিক তৃণমূল কংগ্রেস” নামে স্বীকৃতি দিয়ে খাম প্রতীক বরাদ্দ করেছে কমিশন। মমতা গোষ্ঠীর নাম হয়েছে “মমতা অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস”, প্রতীক দেওয়া হয়েছে ফুটবল খেলোয়াড়ের। পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি মেঘালয় ও ত্রিপুরাতেও দুই গোষ্ঠীকে রাজনৈতিক দল হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

এই সিদ্ধান্তের পর মমতা-রাহুলের যোগাযোগ রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। রাজ্যে কংগ্রেসের সঙ্গে দূরত্ব রেখে একাই নির্বাচনে লড়া তৃণমূল এবার কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে কংগ্রেসের সঙ্গে সমন্বয়ের বার্তা দিল।

নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ নিয়ে আপত্তি জানিয়েছেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তাঁর দাবি, রিতব্রত গোষ্ঠীর তৃণমূলের নাম ও প্রতীকের উপর কোনও আইনি অধিকার নেই। তাঁর বক্তব্য, তৃণমূলের প্রচলিত ‘জোড়াফুল’ প্রতীক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গোষ্ঠীকেই দেওয়া উচিত ছিল।


Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *