অপারেশন সিঁদুরে প্রাণপণ লড়াই করে সেনার প্রশংসা কুড়িয়েছে অগ্নিবীররা। পাকিস্তানের সঙ্গে সাড়ে তিন দিনের সংঘাতে প্রায় সাড়ে চার হাজার অগ্নিবীর স্থায়ী সেনা জওয়ানদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করেন। তাঁদের সাহসী ভূমিকা এবং দায়িত্বশীলতায় সন্তুষ্ট সেনা, নৌ ও বায়ুসেনার শীর্ষ কর্তারা কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রকে স্থায়ী নিয়োগের হার বাড়ানোর সুপারিশ করেছেন। ফলে কেন্দ্রের অগ্নিপথ প্রকল্পে বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।
২০২২ সালে চালু হওয়া এই প্রকল্প অনুযায়ী, সেনায় চার বছরের জন্য অস্থায়ীভাবে অগ্নিবীর নিয়োগ করা হয়। সেসময় ঘোষণা করা হয়েছিল, মেয়াদ শেষে মাত্র ১০ শতাংশ অগ্নিবীরকে স্থায়ী কমিশন দেওয়া হবে, বাকিদের বিদায় নিতে হবে। সেই সিদ্ধান্ত নিয়েই শুরু থেকেই সমালোচনা ও বিক্ষোভের মুখে পড়েছিল কেন্দ্র। উত্তরপ্রদেশ, বিহার, উত্তরাখণ্ড, হিমাচলপ্রদেশ থেকে শুরু করে বাংলাতেও রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন সেনায় চাকরিপ্রার্থীরা।
সূত্রের দাবি, এবার সেই হার এক ধাক্কায় বেড়ে ৮০–৯০ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে, যদিও তা বাহিনী ও বিভাগের উপর নির্ভর করবে। পাশাপাশি, বর্তমানে কর্মরতদের চাকরির মেয়াদও বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। প্রথম দফার অগ্নিবীরদের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ২০২৬ সালের শেষে, তবে তার আগেই নতুন সিদ্ধান্ত কার্যকর হতে পারে। ফলে বহু অগ্নিবীরের ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার মেঘ কেটে গিয়ে স্থায়ী নিয়োগের পথ খুলে যেতে পারে।


