দুর্গাপুজোর অনুদান নিয়ে বড় ঘোষণা রাজ্য সরকারের। পুজো কমিটিগুলিকে দেওয়া হবে ১ লক্ষ টাকা করে সরকারি অনুদান। কিন্তু অনুদানের টাকা পেতে শুধু আবেদন করলেই হবে না। ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে শুরু করে গত বছরের আয়-ব্যয়ের হিসাব—একাধিক নথি জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
নবান্নের তরফে জানানো হয়েছে, পুজো কমিটির নামেই নিজস্ব ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে। সরকারি অনুদানের টাকা সরাসরি সেই অ্যাকাউন্টে পাঠানো হবে। ফলে ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে অনুদানের টাকা নেওয়ার সুযোগ থাকছে না।
আবেদন প্রক্রিয়াতেও রয়েছে নির্দিষ্ট নিয়ম। পুজো কমিটির সভাপতি অথবা সম্পাদককে কমিটির লেটারহেডে আবেদনপত্র তৈরি করে সংশ্লিষ্ট থানায় জমা দিতে হবে। সেই আবেদনের সঙ্গে দিতে হবে কমিটির ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের ক্যানসেলড চেক এবং পাসবুকের প্রথম পাতার কপি।
এখানেই শেষ নয়। গত বছরের পুজোর অনুমতিপত্র এবং আয়-ব্যয়ের পূর্ণাঙ্গ হিসাবও জমা দিতে হবে। অর্থাৎ, গত বছর কীভাবে পুজোর আয়োজন করা হয়েছিল এবং কোথায় কত টাকা খরচ হয়েছিল, সেই হিসাবও এবার নথিভুক্ত করতে হবে।
পুজো কমিটির সদস্যদের নিয়েও দিতে হবে বিস্তারিত তথ্য। লেটারহেডে উল্লেখ করতে হবে সদস্যদের নাম, ঠিকানা এবং ফোন নম্বর।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শর্তগুলির মধ্যে রয়েছে গত বছরের সরকারি অনুদানের হিসাব। আগের অনুদানের ইউটিলাইজেশন সার্টিফিকেট (UC) জমা দেওয়ার স্বীকৃতিপত্রের কপি আবেদনের সঙ্গে দিতে হবে।
অর্থাৎ, ১ লক্ষ টাকার সরকারি অনুদান পেতে এবার পুজো কমিটিগুলিকে আগের অনুদানের হিসাব থেকে শুরু করে ব্যাঙ্কের তথ্য—সবই স্পষ্টভাবে জমা দিতে হবে। অনুদান বণ্টনে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতেই নবান্নের এই কড়া নথিপত্রের নিয়ম।


