বাংলার রাজনীতিতে পালাবদলের হাওয়া লাগতেই ফের সামনে এল তথাকথিত প্রগতিশীল বুদ্ধিজীবীদের ‘ডিগবাজি’র চেনা ছবি। এতদিন যাঁদের তৃণমূলের অন্যতম মুখপাত্র বলেই মনে করা হত, আজ তাঁরাই দূরত্ব তৈরি করতে ব্যস্ত। কবীর সুমনের সাম্প্রতিক মন্তব্য সেই বিতর্ককেই আরও উসকে দিল।
একসময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মঞ্চে দাঁড়িয়ে সরব হওয়া শিল্পী এখন বলছেন, তিনি নাকি কখনও তৃণমূলপন্থীই ছিলেন না! অথচ দীর্ঘদিন ধরে তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে কোনও দ্ব্যর্থতা ছিল না বলেই মনে করতেন সাধারণ মানুষ। ভোটের ফল বদলাতেই আচমকা এই অবস্থান পরিবর্তন অনেকের কাছেই ‘সুবিধাবাদী মানসিকতা’র উদাহরণ হয়ে উঠেছে।
তৃণমূল সরকারের চাকরি দুর্নীতি, সংগঠনের আচরণ ও প্রশাসনিক ব্যর্থতা নিয়ে সুমনের সমালোচনা ইতিমধ্যেই ভাইরাল। তবে নেটমাধ্যমে প্রশ্ন উঠছে—এই উপলব্ধি কি এতদিন ছিল না? নাকি রাজনৈতিক আবহ বদলাতেই মুখ খুললেন তিনি?
এই ইস্যুতে তীব্র কটাক্ষ করেছেন লেখিকা তসলিমা নাসরিন। তাঁর বক্তব্য, ক্ষমতার পাশে দাঁড়িয়ে সুবিধা নেওয়ার পর পরিস্থিতি বদলাতেই দায় এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা নতুন কিছু নয়। সামাজিক মাধ্যমে ইতিমধ্যেই এই মন্তব্য ঘিরে তুমুল বিতর্ক শুরু হয়েছে।


