৫৩-এও ফিটনেসে নজর কাড়ছেন মালাইকা, সুস্থ থাকার জন্য কোন অভ্যাসে ভরসা অভিনেত্রীর?

Spread the love

নাচ, ফ্যাশন আর শরীরচর্চা—এই তিনের মেলবন্ধনে বরাবরই নজর কেড়েছেন মালাইকা অরোরা। কখনও পর্দায় তাঁর উদ্দাম নাচ, কখনও আবার সমাজমাধ্যমে যোগাভ্যাসের ছবি ও শরীরচর্চার নানা ঝলক, সবেতেই নিজের ফিটনেস নিয়ে সচেতনতার ছাপ রেখেছেন অভিনেত্রী। ২৩ অক্টোবর, শুক্রবার ৫৩ বছরে পা দিলেন মালাইকা। বয়স বাড়লেও তাঁর ফিটনেস ও শরীরচর্চার প্রতি নিষ্ঠা অনুরাগীদের কাছে অনুপ্রেরণা।

তবে সুস্থ থাকার জন্য কোনও রাতারাতি পরিবর্তন কিংবা সহজ শর্টকাটের উপর নির্ভর করেন না মালাইকা। বরং নিয়মিত শরীরচর্চা, যোগাভ্যাস, সক্রিয় জীবনযাপন এবং খাবারদাবারের বিষয়ে সচেতন থাকাকেই গুরুত্ব দেন তিনি। তাঁর জীবনযাপনের এই অভ্যাসগুলি থেকে সুস্থ থাকার বিষয়ে অনেক কিছু শেখার রয়েছে।

মালাইকার ফিটনেস রুটিনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ যোগাভ্যাস। নিয়মিত যোগচর্চার নানা মুহূর্ত সমাজমাধ্যমে ভাগ করে নিতে দেখা যায় তাঁকে। যোগাসনের মাধ্যমে শরীরের নমনীয়তা, ভারসাম্য এবং শ্বাসপ্রশ্বাসের নিয়ন্ত্রণ উন্নত করা সম্ভব। পাশাপাশি মানসিক প্রশান্তি বজায় রাখতেও সহায়ক হতে পারে এই অভ্যাস। যোগাভ্যাস শুরু করার জন্য প্রথম থেকেই শরীর নমনীয় হওয়া জরুরি নয়। নিজের শারীরিক সক্ষমতা অনুযায়ী সহজ আসন দিয়ে শুরু করে ধীরে ধীরে অভ্যাস গড়ে তোলা যায়। প্রয়োজনে প্রশিক্ষকের পরামর্শ নেওয়াও গুরুত্বপূর্ণ।

ফিট থাকতে হলে মাঝেমধ্যে কঠোর শরীরচর্চার পরিবর্তে নিয়মিত ব্যায়ামের অভ্যাস গড়ে তোলা বেশি কার্যকর। হাঁটাহাঁটি, যোগাসন কিংবা নিজের পছন্দের কোনও শারীরিক কার্যকলাপ—প্রতিদিনের রুটিনে সামান্য সময় বের করেও সুস্থ থাকার পথে এগোনো সম্ভব। মালাইকার জীবনযাপন থেকে পাওয়া অন্যতম শিক্ষা হল, ফিটনেসকে সাময়িক লক্ষ্য হিসেবে না দেখে দৈনন্দিন জীবনের অংশ করে তোলা। বয়স কিংবা শারীরিক সক্ষমতা অনুযায়ী শরীরচর্চার ধরন বদলাতে পারে, কিন্তু নিয়মিত থাকার গুরুত্ব থেকেই যায়।

শুধু ব্যায়াম করলেই সুস্থ থাকা সম্ভব নয়। সুষম খাবার, পর্যাপ্ত বিশ্রাম এবং শরীরের প্রয়োজন বুঝে চলাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। নিজের শরীরের প্রতি যত্নশীল থাকা এবং দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্যকর অভ্যাস বজায় রাখাই সুস্থ জীবনযাপনের মূল ভিত্তি।

৫৩ বছরেও মালাইকার ফিটনেসের প্রতি নিষ্ঠা মনে করিয়ে দেয়, সুস্থ থাকার জন্য কোনও জাদুকাঠির প্রয়োজন নেই। বরং নিয়মিত শরীরচর্চা, যোগাভ্যাস এবং সচেতন জীবনযাপনের মধ্য দিয়েই তৈরি হতে পারে সুস্থ থাকার অভ্যাস।


Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *